Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Russia Praise India

‘আমেরিকা পণ্য না কিনলে..’, ট্রাম্পকে বেকায়দায় ফেলে বড় ঘোষণা ‘ভারতবন্ধু’ রাশিয়ার

বাবুশকিনের আশা রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে না ভারত। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৫, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৫, ১৪:১১

options
link
‘আমেরিকা পণ্য না কিনলে..’, ট্রাম্পকে বেকায়দায় ফেলে বড় ঘোষণা ‘ভারতবন্ধু’ রাশিয়ার zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খামখেয়ালি ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধে বদলাচ্ছে ভারতের বিদেশনীতি! হোয়াইট হাউসের ‘গাজোয়ারি’তে বিরক্ত দিল্লি কি আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে সময় পরীক্ষিত ‘বন্ধু’ রাশিয়ার? বিশ্লেষক মহলের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে চিন-ভারত-ইরান অক্ষ তৈরিতে ঘুঁটি নাড়ছে মস্কো। এই প্রেক্ষাপটে বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেকায়দায় ফেলে বড় ঘোষণা করল ‘ভারতবন্ধু’ রাশিয়া। দিল্লিতে পুতিনের দূত রোনাম বাবুশকিন িাশ জানিয়েছেন, আমেরিকা যদি ভারতীয় পণ্য না কেনে তা হলে নিজের বাজার খুলে দেবে রাশিয়া। শুধু তাই নয়, নিয়মিত অশোধিত তেলও জোগান দেওয়া হবে ভারতকে।

প্রসঙ্গত, রুশ তেল কেনায় ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। ভারতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত রোমান বাবুশকিন এর নিন্দা করেন। দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘শুল্ক-শাস্তি’র নিন্দা করে বাবুশকিন বলেন, “এই মার্কিন চাপ একতরফা এবং অন্যায্য। অর্থনিতীকে হাতিয়ার করছে আমেরিকা।” বলে রাখা ভালো, চলতি বছরের শেষের দিকে ভারতে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। স্বভাবিকভাবেই, মোদি-পুতিন বৈঠকের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। 

Advertisement

এদিন আমেরিকাকে সরাসরি আক্রমণ করে বাবুশকিন বলেছেন অর্থনীতিকে হাতিয়ার বানিয়েছে আমেরিকা। তাঁর হুঁশিয়ারি, “বন্ধুরা নিষেধাজ্ঞা চাপায় না। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ডলারের উপর ভরসা কমাচ্ছে।” ভারত-রাশিয়া বন্ধুত্ব সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ভারতে অশোধিত তেল পাঠানোর জন্য রাশিয়ার বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে বলে দাবি তাঁর।

অন্যদিকে, ভারত-চিন বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছেন বাবুশকিন। দ্রুত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের আশা প্রকাশ করেন তিনি। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই বৈঠকে ঠিক হয়, দুই দেশ সীমান্ত সমস্যা নিয়ে অবিলম্বে ‘যুক্তিসঙ্গত ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য’ সমাধান বের করতে উদ্যোগী হবে। চিনা বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সৌহার্দ্য দিল্লি-বেজিং শীর্ষ পর্যায়ের যোগাযোগ পুনরায় শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা চুরমার হয়ে গিয়েছিল গালওয়ান সংঘর্ষ-সহ সীমান্ত নিয়ে একাধিক দ্বন্দ্বে।

মার্কিন ‘শুল্ক-শাস্তি’র আবহে চিন-ভারত-রাশিয়া বন্ধুত্বে নতুন জোয়ার ট্রাম্পের জন্য মাথা ব্যথার কারণ হবে কি না তা সময় বলবে। কিন্তু বছরের শেষে মোদি-পুতিন বৈঠক ভারত-মার্কিন সম্পর্ককে আরও ঘোলা জলে ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.