Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
শত্রুঘ্ন সিনহা

অন্তিম দফা লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিলেন পাটনার বিহারীবাবু

পাটনার কদম কুঁয়ার কেন্দ্র থেকে ভোট দিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৯, ১৯:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৯, ১৯:০৬

options
link
অন্তিম দফা লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিলেন পাটনার বিহারীবাবু zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবারের মতো গণতন্ত্রের অন্তিম দফা লোকসভা নির্বাচনীতে মেতে উঠেছে দেশের ৫৯টি কেন্দ্রের ভোটাররা। রবিবার  শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট দিলেন কদম কুঁয়ার ৩৩৯ নম্বর বুথ সেন্ট সেভেরিন স্কুল থেকে। আজ একই দিনে বিহারীবাবুর নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র পাটনা সাহিবেও ভোট।

[আরও পড়ুন: ভোট দিয়ে নিজের কেন্দ্র বসিরহাটে দিনভর চষে বেড়ালেন তারকা প্রার্থী নুসরত]

Advertisement

প্রসঙ্গত, এপ্রিলের ৬ তারিখে নবরাত্রির দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগ দেন এককালের বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। ২০১৪ সালে পাটনা সাহিব থেকেই বিজেপির হয়ে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। প্রায় তিন দশক ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন শত্রুঘ্ন। একাধিকবার সাংসদও হয়েছেন। আর এবার সেই একই কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের হয়ে লোকসভা নির্বাচন লড়ছেন তিনি। চেয়েছিলেন, কংগ্রেসে যোগ দিয়ে পাটনা সাহিব থেকেই গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ভোট লড়বেন তিনি। আর এই দাবিতে তাঁকে নিরাশ করেনি কংগ্রেস। পাটনা সাহিব থেকে জিতে সাংসদ হওয়ার পর থেকেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না শত্রুঘ্ন সিনহার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সমালোচনা করে মাঝেমধ্যেই মুখ খুলেছিলেন তিনি। এমনকী গত ১৯ জানুয়ারি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে ব্রিগেডের সভায় এসে নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি আক্রমণ করেন। তিনি বলেছিলেন, “অটলবিহারী বাজপেয়ীর সময় লোকশাহী বা গণতন্ত্রের প্রতি নজর দেওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনকালে তানাশাহী বা একনায়কতন্ত্র চলছে।”

[আরও পড়ুন: ‘কংগ্রেসের নিয়ম মানছেন না শত্রুঘ্ন’, দলেরই প্রার্থী তোপ দাগলেন ‘বিহারী বাবু’কে]

চলতি বছরের শুরুতেই গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে শত্রুঘ্নর সম্পর্কের অবস্থান সম্পর্কে জানা গিয়েছিল। মোটামুটি তখনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে শত্রুঘ্নকে ছেঁটে ফেলতে চলছে বিজেপি। যদিও শেষ পর্যন্ত গেরুয়া শিবির তাঁকে বরখাস্ত করেনি। বরং কৌশলে লোকসভার টিকিট তাঁকে না দিয়ে, তাঁর কেন্দ্র থেকে রবিশংকর প্রসাদকে গেরুয়া প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছিল। আর তার পরই বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন শত্রুঘ্ন। নির্বাচনী ফলের আশায় আপাতত ২৩ মে’র অপেক্ষায় কংগ্রেসের এই তারকা প্রার্থী।

 

রাজ্যের ৪২ আসনের সম্ভাব্য ফলাফলের আভাস পেতে নজর রাখুন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের ভোট পরবর্তী সমীক্ষায়৷ চোখ রাখুন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের ফেসবুক পেজে, আজ সন্ধে ৭টায়৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.