সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন বছরে যাঁরা হোম লোন নেওয়ার কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য সুখবর। একধাক্কায় গৃহঋণে সুদ অনেকটা কমাল স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। নতুন সুদের হার চালু হবে ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকেই।

বেহাল অর্থনীতিতে ঋণ নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইছেন না গ্রাহকরা। ফলে চাহিদা নেই গৃহঋণের। গৃহঋণের চাহিদা কমায় মন্দা দেখা দিয়েছে আবাসন ও তার অনুসারী শিল্পে। এই পরিস্থিতিতে সুদ কমিয়ে গ্রাহকদের গৃহঋণে আগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা করছে দেশের বৃহত্তম ব্যাংক। আগামী বছরের প্রথম দিন থেকেই গৃহঋণে সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে দিচ্ছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। সোমবার ব্যাংকের তরফে একথা ঘোষণা করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: CAA বিক্ষোভে নাজেহাল, মাত্র ৫ কিমি রাস্তা হেলিকপ্টারে গেলেন অসমের অর্থমন্ত্রী]
এসবিআইয়ের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে external benchmark based rate বা EBR ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানো হচ্ছে। ফলে আগামী বছর থেকে গৃহঋণে সুদের হার কমে হবে ৭.৮০ শতাংশ। আগে সুদ দিতে হত ৮.০৫ শতাংশ হারে। আগামী বছর যাঁরা নতুন করে গৃহঋণের জন্য আবেদন করবেন তাঁদের জন্য সুদের হার হচ্ছে ৭.৯০ শতাংশ। আগে এই সুদের হার ছিল ৮.১৫ শতাংশ। এক ধাক্কায় বেশ খানিকটা সুদ কমার ফলে কমবে ইএমআইয়ের পরিমাণও।
[আরও পড়ুন: গেরুয়া পরলেই হয় না, ধর্ম পালন করা শিখতে হয়’, যোগীকে বেনজির আক্রমণ প্রিয়াঙ্কার]
আসলে, অর্থনীতির অধঃপতনের কারণে গৃহঋণের চাহিদা একেবারেই তলানিতে। এর ফলে আবাসন শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, থেকে শুরু করে ইস্পাত শিল্প পর্যন্ত একাধিক সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সুদ কমানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। রিজার্ভ ব্যাংকের রেপো রেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কমানো হয়েছে সুদ। অন্যান্য ব্যাংকগুলিও এসবিআইয়ের পথেই হাঁটতে পারে বলে মত অর্থনৈতিক মহলের।
[আরও পড়ুন: এই ব্যাংকগুলিতে অ্যাকাউন্ট রয়েছে? নতুন বছরে বাতিল হতে পারে ডেবিট কার্ড!]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’