Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
চিদম্বরম

স্বস্তি মিলল না সুপ্রিম কোর্টেও, যে কোনও মুহূর্তে গ্রেপ্তার হতে পারেন চিদম্বরম

জারি হয়েছে লুক-আউট নোটিসও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৯, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৯, ১৬:১৩

options
link
স্বস্তি মিলল না সুপ্রিম কোর্টেও, যে কোনও মুহূর্তে গ্রেপ্তার হতে পারেন চিদম্বরম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরমের গ্রেপ্তার হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা! সুপ্রিম কোর্টেও স্বস্তি পেলেন না কংগ্রেস সাংসদ। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর আইনজীবীদের ভুলের জন্য আদালতে ওঠা সত্ত্বেও শুনানি হল না চিদম্বরমের করা আবেদনের। সকাল থেকে লাগাতার নাটকের পর সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, চিদম্বরমের করা আবেদন নথিভুক্ত করা হয়নি। ফলে আজ আর মামলার শুনানি সম্ভব নয়। মামলার শুনানি না হওয়ায় দিল্লি হাই কোর্টের রায়ই বহাল রইল। যার অর্থ সিবিআই বা ইডির জন্য আর চিদম্বরমকে গ্রেপ্তার করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা রইল না।তবে, এখনও একটি রাস্তা খোলা রয়েছে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর কাছে। তিনি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে নতুন করে আবেদন করেছেন।  

[আরও পড়ুন: কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে ফের একমঞ্চে তৃণমূল-সিপিএম!]

মঙ্গলবার সন্ধে থেকেই কার্যত উধাও চিদম্বরম। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর দিল্লির জোড়বাগের বাড়িতে বার তিন সিবিআই আধিকারিকরা গিয়েও তাঁর খোঁজ পাননি। উলটে, চিদম্বরমের তরফে তাঁর আইনজীবীরা সিবিআইকে একটি চিঠি দিয়ে জানায়, যেহেতু তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন, তাই তাদের মক্কেলের বিরুদ্ধে যেন কোনওরকম পদক্ষেপ না করা হয়। সকাল সাড়ে দশটায় আদালত খুলতেই দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেন চিদম্বরমের আইনজীবীরা। অন্যদিকে, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর করা আবেদনের বিরুদ্ধে ক্যাভিয়েট জারি করে সিবিআই এবং ইডিও। ইডি অবশ্য আগেই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিস জারি করেছিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দফায় দফায় বাড়িতে সিবিআই হানা, গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় ‘উধাও’ চিদম্বরম]

চিদম্বরমের করা আবেদন নিয়ে সকাল থেকেই টানাপোড়েন চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রথমে মামলাটি ওঠে বিচারপতি এন ভি রামান্নার এজলাসে। তিনি মামলাটি পাঠিয়ে দেন প্রধান বিচারপতির এজলাসে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ব্যস্ত ছিলেন রাম মন্দির মামলার শুনানি নিয়ে। তাই তিনি মামলা শুনতে পারেননি। মামলা আবার ওঠে বিচারপতি রামান্নার এজলাসে। কিন্তু, কপিল সিব্বল, সলমন খুরশিদ, অভিষেক মনু সিংভির মতো দুঁদে আইনজীবীদের আবেদনেও ভুল থেকে যায়। যার জেরে মামলার শুনানি করা সম্ভব হয়নি। ভুল সংশোধন করে নতুন করে আবেদন করেন সিব্বালরা। তারপরই বিচারপতি রামান্না জানিয়ে দেন, মামলাটি যেহেতু নথিভুক্ত হয়নি তাই আজ আর শুনানি সম্ভব নয়। ফলে, বহাল থাকে দিল্লি হাই কোর্টের রায়ই। যা পরিস্থিতি তাতে যে কোনও মুহূর্তে গ্রেপ্তার হতে পারেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.