Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ভূতবিদ্যা

ভূতবিদ্যা নিয়ে হাসিঠাট্টার ফল! বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়কে নাম পরিবর্তনের আরজি বিশিষ্টদের

বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ১৬:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ১৬:০৩

options
link
ভূতবিদ্যা নিয়ে হাসিঠাট্টার ফল! বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়কে নাম পরিবর্তনের আরজি বিশিষ্টদের zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই ফের বিতর্ক তৈরি হয়েছে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে এবারে কোনও শিক্ষককে নিয়ে নয়। গন্ডগোল লেগেছে একটি বিষয়ের নামকরণকে নিয়ে। গোটা বিশ্বের নেটিজেনরা এই ঘটনা নিয়ে হাসিঠাট্টা করার পর ওই বিষয়ের নাম পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছেন বিশিষ্টরা। এরপরই বিষয়টি সম্পর্কে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

বিষয়টির সূত্রপাত হয় গত বছরের শেষের দিকে, উত্তরপ্রদেশের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নোটিসকে কেন্দ্র করে। ওই নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছিল, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার থেকে ভূতবিদ্যার ওপর ছ’মাসের একটি সার্টিফিকেট কোর্স করানো হবে। ব্যাচেলার অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (BAMS) এবং ব্যাচেলার অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলার অব সার্জারি (MBBS) ডিগ্রি থাকলেই এই কোর্সে পড়ার সুযোগ মিলবে। আর আয়ুর্বেদ শিক্ষকরা এই বিষয়ের ক্লাস নেবেন। এই কোর্সটিতে মূলত সাইকোসোমাটিক ডিসঅর্ডার সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে পড়ানো হবে। ভৌতিক বিষয়ের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।

[আরও পড়ুন: বিক্ষোভের জের! উত্তরপ্রদেশে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার PFI-এর ২৫ সদস্য]

 

যদিও এই বিষয়ের বিজ্ঞপ্তি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট হতেই হাসির খোরাক পেয়ে যান নেটিজেনরা। নগ্ন সন্ন্যাসীদের দেশ ভারতের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে অশরীরীদের নিয়ে চর্চা হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করে কেউ কেউ। অনেকে আবার ডাইনি বিদ্যা বা কালো জাদুর সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করে এর। পরিস্থিতি দেখে মুখ খোলেন বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র রাজেশ সিং। তিনি বলেন, ‘এই কোর্সটি মহর্ষি চরকের প্রাচীন পুঁথির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এর সঙ্গে ভূতদের কোনও যোগ নেই।’ একই দাবি করেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদ বিভাগের প্রধান যামিনীভূষণ ত্রিপাঠীও।

[আরও পড়ুন: প্রতিহিংসার রাজনীতি! বাংলার পর বাদ পড়ল কেরল ও মহারাষ্ট্রের ট্যাবলো]

 

এরপরও অবশ্য বিতর্ক থামেনি। বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়ের নাম পরিবর্তনের আরজি জানালেন বিশিষ্টরা। তাঁদের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট মেম্বারও রয়েছেন। শ্রীরাম এস সাভিরকর নামে মুম্বইয়ের ওই বাসিন্দা বলেন, ওই কোর্সের বিষয়বস্তু সম্পর্কে আমি বিশেষ কিছু জানি না। তবে একটা কথা বলতে পারি যে সাধারণ মানুষের কাছে এই বিষয়ে ভুল বার্তা যাচ্ছে। তাই এই কোর্সের নাম পরিবর্তন করলে ভাল হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.