Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

শিশুদের জন্য এখন আর নিরাপদ নয় স্কুল, উদ্বিগ্ন কৈলাস সত্যার্থী

নোবেলজয়ী কৈলাস সত্যার্থীর এমনই পর্যবেক্ষণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১৫:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১৫:৪৫

options
link
শিশুদের জন্য এখন আর নিরাপদ নয় স্কুল, উদ্বিগ্ন কৈলাস সত্যার্থী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সব শিশুর শিক্ষার অধিকার আছে। তাদের প্রত্যেকের স্কুল যাওয়া উচিত। একদিন এই পর্যবেক্ষণ ছিল যাঁর, আজ তিনিই স্কুলের মধ্যে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আস্থা হারিয়েছেন স্কুল নামক প্রতিষ্ঠানটি থেকে। নোবেল জয়ী কৈলাস সত্যার্থী রবিবার পরিষ্কার জানালেন শিশুদের জন্য স্কুল আর নিরাপদ স্থান নয়।

দেশে ক্রমশ বাড়ছে শিশু নির্যাতন। একের পর এক ঘৃণ্য ঘটনা সামনে আসছে। প্রতিটি ঘটনার কড়া নিন্দা করে ‘ভারত ভ্রমণ’ কর্মসূচি  শুরু করছেন কৈলাস সত্যার্থী। কারণ তিনি মনে করেন আমরাই শিশুদের সেই সমাজ দিতে ব্যর্থ, যেখানে একটা শিশু নিরাপদে তার শৈশব কাটাবে। তাই দোষী আমরাই। শিশুপাচার ও শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে শুধু মুখ খোলাই নয়, ভারত যাত্রার মাধ্যমে এই বার্তাও পৌঁছে দেওয়া তাঁর উদ্দেশ্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মারণ ব্লু হোয়েল ঠেকাতে এবার মোবাইল নিষিদ্ধ সব স্কুলে]

সারা দেশে শিশু পাচার এবং শিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলির বিরুদ্ধে এটা তাঁর লড়াই। তিনি একা হলেও পিছু হঠতে রাজি নন, স্পষ্ট উচ্চারণ তাঁর। তিনি মনে করেন স্কুলের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিরাপত্তা দেওয়া, সেই স্কুলটির নৈতিক দায়িত্ব। স্কুল কর্তৃপক্ষর এখন এই বিষয়ের ওপরেই ফোকাস করা উচিত পরামর্শ তাঁর। কিন্তু এই নোবেল জয়ীর আক্ষেপ বাস্তবে তা হচ্ছে না। সত্যার্থীর পর্যবেক্ষণ, যতক্ষণ না একটু স্কুল পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করছে, ততক্ষণ সেই স্কুলে যাওয়া উচিত নয় পড়ুয়াদের।

[দুর্গা সহায়…অনাথ শিশুদের মুখে অন্ন তুলে দেন স্বয়ং ‘মা’]

বর্তমান বিভিন্ন সমীক্ষাতেও একই তথ্য উঠে আসছে। জানা গেছে, প্রতি ১৫৫ মিনিটে ১৬ বছরের কম বয়সী একটি শিশু ধর্ষিত হয়, প্রতি ১৩ ঘন্টায় ধর্ষিত হয় দশ বছরের কম বয়সী একটি শিশু। তথ্য বলছে দেশে ২৪ কোটি মেয়ের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছরের আগে। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী ৫৩.২২ শতাংশ শিশু বলেছে, তারা কোনও না কোনও ভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার। ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রেই যৌন নির্যাতনকারীরা শিশুদের পূর্বপরিচিত বা এমন কেউ যাদের তারা বিশ্বাস করে।

[ক্লাসরুমের মধ্যে ৫ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ, ধৃত পিওন]

সাম্প্রতিক দুটি ঘটনা আরও নড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বাসের ভিত। স্কুলের ক্লাসরুমেই ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর দিল্লির গান্ধীনগরের টেগোর পাবলিক স্কুলে। ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্কুলেরই চল্লিশ বছরের পিওনকে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিকে, শুক্রবার গুরুগ্রামের এক বেসরকারি স্কুলের শৌচালয়ে সাত বছরের বালকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বাস কন্ডাক্টর অশোক কুমারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, স্কুলের শৌচাগারে দুধের শিশুকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেছিল অশোক। কিন্তু তা না করতে পেরে ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে খুন করে।

পরপর দু’দিন শিশুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে অভিভাবকদের। দু’টি ক্ষেত্রেই অবশ্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু স্কুলের ভিতরেই শিশুদের এমন নির্মম পরিণতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেই দিচ্ছে। ঠিক এই প্রশ্নই তুলছেন নোবেলজয়ী সত্যার্থী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.