Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Book Fair 2025

এবারের বইমেলায় কেন নেই বাংলাদেশ, মুখ খুললেন গিল্ড সভাপতি

১৯৯৬ সাল থেকে কলকাতা বইমেলায় অংশ নিচ্ছিল বাংলাদেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৫, ১৬:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৫, ১৬:১৯

options
link
এবারের বইমেলায় কেন নেই বাংলাদেশ, মুখ খুললেন গিল্ড সভাপতি zoom
Advertisement

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: বইমেলা ‘জাগ্রত দ্বারে’। বাঙালির বারো মাসের চোদ্দোতম পার্বণ ঘিরে বইপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ এখন থেকেই চড়তে শুরু করেছে। সারা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বহু দেশ যোগ দেয় এই মেলায়। কিন্তু এবারের মেলায় আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, স্পেন, পেরু, ইরান-সহ একাধিক দেশ অংশগ্রহণ করলেও বাংলাদেশ থাকছে না। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন পাবলিশার্স অ্যান্ড গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির ম্যাক্সমুলার ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ কলকাতা বইমেলাতে আসছিল। এবারে যে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি চলছে, সেই বিষয়ে আমাদের মন্তব্য করা উচিত নয়। কিন্তু আমরা সবাই জানি কী চলছে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা বইমেলার পবিত্রতা, নিরাপত্তা এবং অন্য কোনও স্তর যাতে বিপদগ্রস্ত না হয় সেই জন্যই আমরা এবারে বাংলাদেশকে রাখতে পারছি না। যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। সাহিত্যের কোনও সীমান্ত হয় না। কাঁটাতারের বেড়া হয় না। বাংলাদেশ থেকে যাঁরা আসতে চেয়েছিলেন আমরা তাঁদের বলেছি আপনারা ভারত সরকারের মাধ্যমে আসুন।”

Advertisement

এদিকে, এবারের বইমেলার থিম কান্ট্রি জার্মানি। ৪৮ বছরের মেলার ইতিহাসে প্রথমবার। আর সেই উপলক্ষ্যেই আয়োজিত হয়েছিল এই সাংবাদিক বৈঠক। ১৯৭৪ সালে জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট শহরের বইমেলা থেকে অনু্প্রাণিত হয়ে কলকাতা বইমেলার যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল। সেই জার্মানির কলকাতা বইমেলার ফোকাল থিম কান্ট্রি হওয়ার ক্ষেত্রে ৪৮ বছর সময় কেন লাগল? এই বিষয়ে বলতে গিয়ে ভারতে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. ফিলিপ অ্যাকেরম্যান জানান, ”এতদিন কেন লাগল তার পিছনে অনেক কারণ রয়েছে। আমরা দেরিতে এসেছি ঠিকই। কিন্তু আমরা এখন আমাদের একশো শতাংশ নিয়েই হাজির হয়েছি।”

এদিনের বৈঠকে গিল্ডের তরফে ত্রিদিব ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে। এছাড়াও গ্যেটে ইন্সটিটিউটের দক্ষিণ এশিয়ার ডিরেক্টর ড. মারলা স্টুকেনবার্গ, কলকাতার গথ ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর অ্যাস্টিড ওয়েজ উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

এমাসের ২৮ তারিখেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বইমেলার উদ্বোধন করবেন। সেই অনুষ্ঠানেই গিল্ডের তরফ থেকে ২ লক্ষ টাকা অর্থমূল্যের বিশেষ সাহিত্য সম্মান পুরস্কার বর্ষীয়ান সাহিত্যিক আবুল বাশারের হাতে তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। ২৯ জানুয়ারি থিম কান্ট্রি জার্মানি দিবস, ২ ফেব্রুয়ারি শিশু দিবস এবং ৪ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র সিটিজেন দিবস পালিত হবে বইমেলাতে। মেলা চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.