সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেনা এবং পুলিশের যৌথ অভিযানে মণিপুরের পাঁচ জায়গা থেকে উদ্ধার হল বিপুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। শনিবার পূর্ব ইস্ফল, পশ্চিম ইম্ফল, থৈবাল, বিষ্ণুপুর এবং কাকচিঙে অভিযান চালায় মণিপুর পুলিশ, আসম রাইফেলস, বিএসএফ, সিআরপিএফ এবং ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি)। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মোট ৯০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং গ্রেনেড, মর্টার শেল-সহ প্রায় ৭২৮ রকমের গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে।
শনিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ইম্ফলের পাঁচ জায়গায় যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনী। উদ্ধার হওয়া ৯০টি আগ্নেয়াস্ত্রর মধ্যে রয়েছে- পাঁচটি ইনসাস রাইফেল, চারটি সেলফ-লোডিং রাইফেল, তিনটি একে সিরিজের রাইফেল, সাতটি ৩০৩ রাইফেল, ২০টি পিস্তল, চারটি কার্বাইন, আটটি সাধারণ রাইফেল, ২০টি এসবিবিএল এবং বোর অ্যাকশন রাইফেল, তিনটি বন্দুক ইত্যাদি। এছাড়াও ২১টি গ্রেনেড, মর্টার শেল, আইইডির মতো বিস্ফোরক। গত মার্চ এবং এপ্রিল মাসেও চূড়াচাঁদপুর, পশ্চিম ইম্ফল, কাংকোপি, পূর্ব ইম্ফল ও বিষ্ণুপুরে যৌথ অভিযান চালায় নিরাপত্তাবাহিনী। তখনও উদ্ধার হয় প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মে মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল হয়েছিল মণিপুর। ঘটনার জেরে মৃত্যু হয় ২০০’র বেশি মানুষের। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা নামানোর পাশাপাশি গোটা রাজ্যে লাগু করা হয়েছে আফস্পা। এমনকী জারি করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসনও। কিন্তু তারপরেও দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে মণিপুরের একাধিক এলাকা।
সর্বশেষ খবর
-
‘যাদবপুরের ভিতরে-বাইরে জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করবই’, ছাত্র সংঘর্ষের পর হুঙ্কার শুভেন্দুর
-
সেনাকে সম্মান জানিয়ে গোর্খা এডিশন এনেছে এনফিল্ড, বাইক কেনার প্ল্যান থাকলে জেনে নিন ফিচার ও দাম
-
কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে সত্যিই মদ বিক্রি বন্ধ! কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?
-
আমেরিকার গা জোয়ারিতে আলোচনা স্থগিত কানাডার, ৫০ শতাংশ কর চাপালেন ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
-
‘আমার দলের লোক হলেও সমর্থন করব না’, যাদবপুর কাণ্ডে বার্তা অগ্নিমিত্রার