Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
America

আমেরিকার গা জোয়ারিতে আলোচনা স্থগিত কানাডার, ৫০ শতাংশ কর চাপালেন ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

কার্নি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তিনি ডলারে ডলারে এর হিসেব নেবেন। আমেরিকার উপর পালটা শুল্ক চাপানোরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৮:০৭

options
link
আমেরিকার গা জোয়ারিতে আলোচনা স্থগিত কানাডার, ৫০ শতাংশ কর চাপালেন ক্ষুব্ধ ট্রাম্প zoom
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ফাইল ছবি
Advertisement

আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক আলোচনায় আপাতত দাঁড়ি টানল কানাডা। ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি অভিযোগ করেন, আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে আমেরিকা যে পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে তা অন্যায্য ও অর্থনইতিকভাবে ক্ষতিকর। শুল্ক আলোচনা স্থগিত করায় পালটা ক্ষুব্ধ ট্রাম্প কানাডার উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করেছেন।

কানাডার উপর উচ্চহারে শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব আগেই দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেখানে বলা হয়েছিল ১৯ আগস্ট থেকে কানাডার ২০০০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে। তবে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সেই সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এবার শনিবার থেকে সেই শুল্ক কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। যদিও রিপোর্ট বলছে, মার্কিন শুল্কের বড় কোনও প্রভাব কানাডার অর্থনীতিতে পড়বে না। কারণ যে সব পণ্যে এই শুল্ক লাগু হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক উপাদান নয়। এবং আমেরিকায় মোট রপ্তানিকৃত পণ্যের মাত্র ৫ শতাংশ। ফলে অর্থনীতির চেয়ে দুই দেশের সম্পর্কে বেশি প্রভাব পড়বে এই শুল্কের।

Advertisement

মার্কিন শুল্কের বড় কোনও প্রভাব কানাডার অর্থনীতিতে পড়বে না। কারণ যে সব পণ্যে এই শুল্ক লাগু হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক উপাদান নয়।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতেই আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নি। তিনি বলেন, আলোচনা শুরুতে ভালোভাবেই এগোচ্ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বেশকিছু শর্তাবলী পরিবর্তন করে আমেরিকা। যা কানাডার স্বার্থের বিরুদ্ধে। আমেরিকার এই পদক্ষেপকেই অন্যায্য, অযৌক্তিক বলে অভিযোগ করেন কার্নি। তিনি বলেন, এই ধরনের শর্ত যেকোনও চুক্তির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। তাই এই আলোচনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। মধ্যস্থতাকারীদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে কানাডার এই পদক্ষেপের পরই তাদের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর নির্দেশ দেয় আমেরিকা। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রি বিবৃতি জারি করে বলেন, “কিছুদিন আগে যে শর্তে কানাডা সম্মত হয়েছিল, এখন সেই শর্তে চুক্তি থেকে পিছু হঠছে ওরা। আমাদের রপ্তানি বাজারে কানাডাকেই সবচেয়ে বেশি সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন তারা আগের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে। এই ঘটনার পর, পালটা কার্নি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তিনি ডলারে ডলারে এর হিসেব নেবেন। আমেরিকার উপর পালটা শুল্ক চাপানোরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.