Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
করোনা ভাইরাস

মহামারি করোনার জেরে শেয়ার বাজারে ধস অব্যাহত, রেকর্ড পতন সেনসেক্স-নিফটির

গত দু'বছরে এত নিচে নামেনি নিফটির সূচক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:২২

options
link
মহামারি করোনার জেরে শেয়ার বাজারে ধস অব্যাহত, রেকর্ড পতন সেনসেক্স-নিফটির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যতদিন যাচ্ছে, করোনা আতঙ্কের জেরে ধস নামছে গোটা বিশ্বের শেয়ার বাজারে। থাবা পড়েছে ভারতের শেয়ার বাজারেও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) করোনাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণা করতেই বৃহস্পতিবার রেকর্ড পতন হল ভারতের শেয়ার বাজারে। সেনসেক্স পড়ল প্রায় ২৭০০ পয়েন্ট। পাল্লা দিয়ে নিফটির সূচক নামল ১০ হাজারের নিচে। ডলারের তুলনায় টাকার দামেও পতন হয়েছে এদিন। শেয়ার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যতম বৃহৎ পতন হয়েছে এদিন।

প্রসঙ্গত, বুধবারই করোনাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তারপর এদিন সকালে বাজার খুলতেই সেনসেক্স পড়ে দেড় হাজার পয়েন্ট। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। নামতে নামতে ২৭০০ পয়েন্ট পড়ে ৩৩ হাজার পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায় সেনসেক্স। অন্যদিকে, নিফটি রেকর্ড ৮০৯ পয়েন্ট পড়ে শেষপর্যন্ত দাঁড়ায় ৯,৬৪৮.৬৫ পয়েন্টে। গত দু’বছরে এত নিচে নামেনি নিফটির সূচক। ভারতের মতো বিশ্বের বাজারেও প্রভাব পড়েছে। আমেরিকা, জাপান, জার্মানির শেয়ার বাজারেও ধস নেমেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: এক মাসে দু’বার, ফের ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার কমাল SBI]

উল্লেখ্য, WHO জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বিশ্বের ১১৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ। মৃত্যু হয়েছে ৪,২৯১ জনের। ১ লক্ষ ১৮ হাজার মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত। এদিকে নতুন করে ১৩ জনের শরীরে ভাইরাস মেলায় ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৩। আতঙ্কের জেরে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ সফরে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র।

উল্লেখজনক ভাবে, চিনের যে ইউহান থেকে যে ভাইরাস প্রথম ছড়িয়েছিল তা আজ গোটা বিশ্বে দাপট দেখাচ্ছে। কিন্তু যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে লড়াই করেছে চিন প্রশাসন। যার ফলে ইউহানে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যাও আস্তে আস্তে কমছে। তবে ইটালি ও ইরানে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যুমিছিল বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, চিনের পর এই দুই দেশই করোনার জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শীঘ্রই বাকি দেশগুলিও এই ভয়াবহতা দেখতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে WHO।

[আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তদের জন্য সুখবর, একধাক্কায় অনেকটা দাম কমল পেট্রল ও ডিজেলের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.