সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত হলেন দেশের প্রবীণতম সাংসদ শফিকুর রহমান বর্ক (Shafiqur Rahman Barq)। সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) এই সাংসদের বয়স হয়েছিল ৯৩। উত্তরপ্রদেশের সম্ভলের সাংসদ ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বয়সজনিত অসুখে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মোরাদাবাদের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানেই মঙ্গলবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।
সম্ভল থেকে চার বার বিধায়ক হয়েছিলেন শফিকুর। পেয়েছিলেন মন্ত্রিত্বও। পরে ১৯৯৬, ১৯৯৮, ২০০৪, ২০০৯ সালে জিতে চারবার সাংসদও হন তিনি। পরে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জিতে তিনি পঞ্চমবারের জন্য সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন।
समाजवादी पार्टी के वरिष्ठ नेता, कई बार के सांसद जनाब शफीकुर्रहमान बर्क साहब का इंतकाल, अत्यंत दु:खद।
उनकी आत्मा को शांति दे भगवान।
शोकाकुल परिजनों को यह असीम दु:ख सहने का संबल प्राप्त हो।
भावभीनी श्रद्धांजलि ! pic.twitter.com/94zP5YZ9E9
— Samajwadi Party (@samajwadiparty) February 27, 2024
[আরও পড়ুন: কানাডা হোক বা আমেরিকা, ভারতীয় কূটনীতিকদের উপর হামলা বরদাস্ত নয়, হুঁশিয়ারি জয়শংকরের]
তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে সমাজবাদী পার্টি। প্রবীণ নেতার পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছে অখিলেশের দল। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এবারও তাঁর ভোটে দাঁড়ানোর কথা ছিল। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চৌধরী চরণ সিংহের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ শফিকুর। প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসা কুড়িয়েছেন, আবার নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে একাধিক বার বিতর্কেও জড়িয়েছেন শফিকুর। বন্দেমাতরম নিয়ে কিংবা আফগানিস্তানে তালিবান শাসন শুরু হলে তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। বিশেষত তালিবান জঙ্গিদের সঙ্গে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের তুলনা করায় প্রবল সমালোচিত হতে হয়েছিল বর্ষীয়ান রাজনীতিককে।
[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে জোড়া দুর্ঘটনা, পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে মৃত ৪ স্কুল পড়ুয়া-সহ ১০]
সর্বশেষ খবর
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা
-
প্রকৃতির ডাকেই মিলবে ভবিষ্যতের দিশা, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বার্তা ‘ইউনিসেফ’-এর
-
‘শেখানো তোতাপাখি’ করে রেখেছিলেন সিবিআইয়ের আইনজীবী! বিস্ফোরক অভয়ার বাবা