BREAKING NEWS

৩২ আষাঢ়  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

হঠাৎ সংকটে মহারাষ্ট্রের জোট সরকার! উদ্ধবের সঙ্গে জরুরি বৈঠক পওয়ারের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 26, 2020 1:16 pm|    Updated: May 26, 2020 1:16 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে ‘অপারেশন কমল’ সম্পন্ন হয়েছে। এবার কি লক্ষ্য মহারাষ্ট্র? সোমবারের কয়েকটি ঘটনাক্রম অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। করোনার আড়ালে মারাঠাভূমে যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে, তা মহারাষ্ট্রের জোট সরকারের নেতাদের রীতিমতো চিন্তায় ফেলে দেবে।

সূত্রের খবর, করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট নন বিরোধী মহাজোটের বেশ কয়েকজন বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যের এহেন সংকটজনক পরিস্থিতিতেও মাঝে মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় না। বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের অধিকাংশই এনসিপির সদস্য। সুযোগ বুঝে কলকাঠি নাড়ছে বিজেপিও। কয়েকটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গোপনে এনসিপির কয়েকজন বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে গেরুয়া শিবির। মধ্যপ্রদেশের ধাঁচে মহারাষ্ট্রেও সরকার ভেঙে দেওয়ার ছক কষছে তাঁরা। এসবের মধ্যেই এনসিপি নেতা শরদ পওয়ারের (Sharad Pawar) দুটি পদক্ষেপ জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনা আবহেই দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তি, সেলিব্রেশনে ‘এলাহি’ আয়োজন বিজেপির]

সোমবার সন্ধ্যায় হঠাতই রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারির সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর দলের আরেক প্রভাবশালী নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল। তারপরই তিনি যান মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধবের (Uddhav Thackeray) বাসভবনে। সেখানে প্রায় দেড় ঘন্টা কথা হয় তাঁদের। সূত্রের খবর বিধায়কদের অসন্তোষ নিয়েই আলোচনা করেছেন এই দুই নেতা। তাছাড়া, সরকারের অনির্দিষ্টকালীন লকডাউনের সিদ্ধান্তে পওয়ার নিজেও খুশি নন। তিনি চাইছেন ধীরে ধীরে মহারাষ্ট্র অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু করুক। এসব নিয়েই আলোচনা হয়েছে দুই নেতার। তাঁদের এই বৈঠকের পর সরকারে অসন্তোষ নিয়ে যে জল্পনা দানা বেঁধেছিল, তা আরও গতি পায়। যদিও বৈঠক শেষে শিব সেনার তরফে সঞ্জয় রাউত টুইট করে বলেন,” মহারাষ্ট্রের সরকার শক্তিশালী। সরকারের উপর কোনও সংকট নেই। সরকার কীভাবে ভেঙে দেওয়া যায়, সেই টিকা আবিষ্কারের চেষ্টা বিজেপি করছে। কিন্তু সেসব বুমেরাং হবে।” অন্যদিকে রাজ্যপালের সঙ্গে পওয়ারের বৈঠক নিয়েও যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন এনসিপি নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল। ওই বৈঠককে নিছকই ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement