সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নবাবের সম্পত্তি বেহাত। মামলা ঠুকলেন বেগম।
স্বামী মনসুর আলি খান পতৌদির ভোপালের সম্পত্তি বেআইনিভাবে হস্তগত করেছে দুই ব্যক্তি। এমনটাই অভিযোগ আনলেন শর্মিলা ঠাকুর। নবাবের ‘মালকিয়ত’-এ ‘দখল দেনা’। ভোপালের শেষ নবাব হামিদুল্লাহ খানের নাতি মনসুর। তাই ভোপালের অভিজাত পরিবারের সম্পত্তির মালিকানাও মনসুরের। শর্মিলার অভিযোগ, কোহ—ই—ফিজা এলাকায় দার—উস—সালাম ভবনটি অবৈধভাবে হস্তগত করেছেন বতর্মান বাসিন্দা আজম খান ও সৈয়দ নবাব রেজা। কিন্তু মনসুর আলি খান পতৌডির সঙ্গে বৈবাহিক সূত্রে ওই সম্পত্তির মালিকানা তাঁর।
‘মুসলিমদের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’
জেলা প্রশাসনের কাছে একটি চিঠিতে শর্মিলা জানিয়েছেন, অভিজাত পরিবারের একমাত্র উত্তরাধিকারী ছিলেন প্রয়াত টাইগার পতৌডি। কিন্তু বেআইনিভাবে দার—উস—সালাম দখল করে রেখেছেন আজম খান ও নবাব রেজা। সমাজবিরোধীদের সাহায্যে অভিজাত বাড়িটির তালা ভেঙে দুষ্প্রাপ্য সম্পত্তি নষ্ট করছেন বর্তমান বাসিন্দারা, অভিযোগ অভিনেত্রীর। বেশ কিছু পুরনো আসবাবপত্র ও ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল নষ্ট করার অভিযোগও এনেছেন শর্মিলা। বৈরাগড়ের তহসিলদার অজয়প্রতাপ সিং প্যাটেল বলেন, মাসখানেক আগেই সম্পত্তি দাবি করে প্রমাণ পেশ করেন পতৌডি বেগম। তাঁর কথামতোই বর্তমান বাসিন্দাদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়। প্রশাসনের কাছে এখনও কোনও জবাব এসে পৌঁছয়নি বলেই জানান তিনি। সম্পত্তির মালিকানা হস্তগত করার জন্য এই দুই ব্যক্তি জাল দলিল তৈরি করেছে বলেও জানান শর্মিলা। যদিও আজম খান সংবাদ সংস্থাকে বলেন, তাঁর কাছে প্রশাসনের তরফে কোনও নোটিস এসে পৌঁছয়নি। ভোপালের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবন ছিল দার—উস—সালাম। এখানে থাকতেন বিচারপতি সালামুদ্দিন। আজম খান তাঁর নাতনি মাহিরার স্বামী। মাহিরা প্রয়াত হয়েছেন অনেকদিন। তাঁর মৃত্যুর পর নবাবের তরফে এই সম্পত্তিকে উপহার হিসাবে দাবি করে একটি ‘হিবানামা’ পেশ করেন আজম।
[রাজধানীর বুকে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি আল কায়দা জঙ্গি, ছড়াল চাঞ্চল্য]
সর্বশেষ খবর
-
রথযাত্রায় কলকাতায় কাজল, বৃষ্টিস্নাত শহরে কেন বঙ্গতনয়ার ‘ঝলমলে’ আবির্ভাব?
-
১৫০ কোটির সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, গাজিয়াবাদে বাবাকে গুলিতে ঝাঁজরা করল মদ্যপ ছেলে!
-
শ্রেয়স-বিরাটের অর্ধশতরানেও হল না বড় স্কোর, ২৩৩ রানেই গুটিয়ে গেল ভারত
-
গাড়ি-এসি নয়, হাতে থাকুক ১ লক্ষ! সরকারি ডাক্তারদের বেতনবৃদ্ধির সওয়াল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
-
তৃণমূল জমানায় ১০০ দিনের কাজে বকেয়া ২০০০ কোটি! ঠিকাদারদের ‘প্রাপ্য’ নিয়ে কী বলছে হাই কোর্ট?