সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। মোদির ভাষণের প্রশংসা করে নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টও করেন তিনি। থারুরের ওই পোস্টের পরই তাঁকে কটাক্ষ করেন একাধিক কংগ্রেস নেতা। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন থারুর। বলেন, “আমার পোস্টে কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব ছিল না। কিন্তু তা-ও আমাকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসক বলে আক্রমণ করা হচ্ছে।”
দুবাইতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে থারুর বলেন, “বিভিন্ন মতাদর্শের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু সমস্যা হল এখন আমাদের রাজনীতিতে প্রত্যেককে আদর্শগতভাবে বিশুদ্ধ হতে হবে। আমরা বিপক্ষকে অযোগ্য মনে করি। তাদের সঙ্গে কথা বলি না।” থারুরের দাবি, তাঁর পোস্টে কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব ছিল না। কিন্তু তা-ও তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসক বলে আক্রমণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি প্রশংসার একটি শব্দও বলিনি। আমি কেবল মোদির বক্তৃতাটি বর্ণনা করেছি। মূল কথা হল, আমাদের দেশে এখন এটাই সমস্যা।” কংগ্রেস সাংসদের কথায়, “কেউ নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করেছে। আপনি আপনার রাজ্যে নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করেছেন। যদি আপনার রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তাহলে কীভাবে হবে? কোনও কাজই করা যাবে না।”
প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে মোদির প্রশংসা করেছেন থারুর। ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির পর একদিকে যখন কংগ্রেস সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিল, অন্যদিকে কংগ্রেস নেতাদের বলতে শোনা গিয়েছিল, সবাই ইন্দিরা হতে পারে না। সেই পরিস্থিতিতে থারুর কার্যত কংগ্রেসের অবস্থানের উলটো দিকে দাঁড়িয়ে মোদিকেই সমর্থন করেন। দাবি করেন, ১৯৭১ আর ২০২৫ এক নয়। দু’টো সময়ের মধ্যে তফাত রয়েছে। বস্তুত, কয়েকমাস ধরেই বেসুরো বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস সাংসদ। একের পর এক মন্তব্যে তিনি নিজেই যেন কংগ্রেস ত্যাগের জল্পনা উসকে দিচ্ছেন।
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতার পুর আসন ২০০! পুনর্বিন্যাসের পর বাড়বে বুথ, খসড়া তৈরিতে ব্যস্ত পুরসভা
-
সিআরের জন্য কাপ-প্রার্থনা, নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে মহিষাদলের রোনাল্ডো-গ্রাম
-
বদলের বাংলায় ‘পদ্ম চা’ চাষের উদ্যোগ, বাগানেই ফুটবে কমল
-
‘হিন্দুদের সম্মোহিত করা হয়েছে’, মন্দিরের টাকা চুরিতে বিজেপিকে দুষে ‘রাম রক্ষা আন্দোলনে’ উদ্ধব
-
রাতভর অঝোরে বৃষ্টি, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে জারি লাল সতর্কতা