BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘গান্ধী পরিবারের মেয়েকে হেনস্তা করা হলে, আম জনতার কী হবে?’ আতঙ্কিত শত্রুঘ্ন

Published by: Paramita Paul |    Posted: December 29, 2019 4:25 pm|    Updated: December 29, 2019 6:51 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পুলিশি হেনস্তার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন কংগ্রেস নেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। একের পর এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তুলোধনা করেন ‘বিহারীবাবু’। রবিবার সকালে টুইটার হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “গান্ধি-নেহেরু পরিবারের মেয়েকে যদি এভাবে হেনস্তা করা হয়, তাহলে আম জনতার কী হবে! তা ভেবেই আমি আতঙ্কিত।” পাশাপাশি, এদিন বিহারের প্রাক্তন সাংসদ কংগ্রেস নেত্রীর SPG নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন। শেষে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তাঁর হুঁশিয়ারি, “এভাবে ড্যামেজ কন্ট্রোল হয় না।”

শনিবারই দারাপুরীর পরিবারের সদস‌্যদের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল কংগ্রেস নেত্রীর। কিন্তু, পুলিশ তাঁকে বাধা দেয়। এরপর গাড়ি ছেড়ে এক কর্মীর বাইকে চেপে গন্তব্যের দিকে রওনা হন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু, তাতেও আসে বাধা। শেষ পর্যন্ত, বাধ‌্য হয়ে হাঁটতে শুরু করেন নেত্রী। আর এভাবেই প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে দারাপুরীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তারপরই সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ ছিল, পুলিশের সঙ্গে বচসা চলাকালীন এক মহিলা পুলিশ কর্মী তাঁর গলা টিপে ধরেন। ঘাড় ধাক্কাও দেন। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে যোগীর রাজ্যের পুলিশের এধরণের ব্যবহারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। তবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের দাবি, প্রিয়াঙ্কাকে যেতে দিলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে। এদিকে  বিনা হেলমেটে কর্মীর বাইকে ওঠায় প্রিয়াঙ্কাকে জরিমানা করেছে লখনউ পুলিশ।

যোগী রাজ্যের পুলিশের অত্যাচারের বিরু্দ্ধে সরব হন কংগ্রেস যোগ দেওয়া শত্রুঘ্ন সিনহা। একটি টুইটে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি লেখেন, “প্রথমে আপনি ভিআইপিদের নিরাপত্তা কমিয়ে দিচ্ছেন। আর আপনার নিরাপত্তা বাড়াচ্ছেন। তারপর গান্ধি পরিবারের সদস্যদের এসপিজি বলয় সরিয়ে নিচ্ছেন। আর এখন উত্তরপ্রদেশ পুলিশ, আপনার দলের সরকারের নির্দেশে তাঁর সঙ্গে লজ্জাজনক ব্যবহার করছে।” এই প্রথম নয়, এর আগেও প্রধানমন্ত্রী-সহ বিজেপির নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন বিহারীবাবু। এদিনও আরেকটি টুইটে তিনি লেখেন, ” নতুন বছর আসছে। জানি না গণতন্ত্রে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে!”

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement