BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহাকে ‘খামোশ’ করে পাটনা সাহিবে বিজেপি প্রার্থী রবিশংকর প্রসাদ

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: March 23, 2019 4:59 pm|    Updated: March 23, 2019 4:59 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রত্যাশা মতোই বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহাকে শেষপর্যন্ত ‘খামোশ’ করে দিল বিজেপি। তাঁর বদলে বিহারের পাটনা সাহিব লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হল রবিশংকর প্রসাদকে। এদিকে খুব তাড়াতাড়ি শত্রুঘ্ন সিনহা কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন বলে সূত্রের খবর।এপ্রসঙ্গে শনিবার রবিশংকর প্রসাদ বলেন, “পাটনা আমার শহর। এখানেই জন্মেছিলাম। পড়াশোনা করার পর আইনজীবীও হয়েছিলাম। তারপর জাতীয় রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও পাটনার সঙ্গে আগাগোড়াই মনের যোগ ছিল। তাই এখান থেকে প্রার্থী করার জন্য আমি দল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ-সহ অন্যদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

[জল্পনার অবসান, বিজেপিতে যোগ দিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল]

লোকসভার প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশের ঠিক দুদিন বাদে শনিবার বিহারের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। পাশাপাশি আজই বিহারের ৩৯টি লোকসভা আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল এনডিএ। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব জানান, বিহারের নওদা থেকে বিদায়ী সাংসদ গিরিরাজ সিংয়ের পরিবর্তে লোক জনশক্তি পার্টির চন্দন কুমার প্রার্থী হচ্ছেন ও গিরিরাজ দাঁড়াচ্ছেন বেগুসরাই আসন থেকে। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব প্রকাশ রুডি দাঁড়াবেন সারন ও কৃষিমন্ত্রী রাধামোহন সিং দাঁড়াবেন পূর্ব চম্পারণ থেকে। লোক জনশক্তি পার্টির প্রধান রামবিলাস পাসওয়ানের ছেলে চিরাগ পাসওয়ান দাঁড়াচ্ছেন জামুই, রামকৃপাল যাদব পাটলিপুত্র, আর কে সিং আরা ও অশ্বিনী চৌবে বক্সার থেকে।

[বিহারে আরজেডির টিকিটে লড়বেন শরদ যাদব, জোটের তালিকা থেকে বাদ কানহাইয়া]

২০১৪ সালে পাটনা সাহিব থেকে জিতে সাংসদ হওয়ার পর থেকেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না শত্রুঘ্ন সিনহার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সমালোচনা করে মাঝেমধ্যেই মুখ খুলেছিলেন তিনি। এমনকী গত ১৯ জানুয়ারি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে ব্রিগেডের সভায় এসে নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি আক্রমণ করেন। বলেন, “আমি যদিও বিজেপির সঙ্গে আছি তবুও প্রথমে মানুষ ও দেশের হয়েই কথা বলব। অটলবিহারী বাজপেয়ীর সময় লোকশাহী বা গণতন্ত্রের প্রতি নজর দেওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনকালে তানাশাহী বা একনায়কতন্ত্র চলছে।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement