Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৯ জুলাই ২০২৬

শিবসেনার ফতোয়া, নবরাত্রিতে বন্ধ মাংসের দোকান

ফের খাবারের ওপর খবরদারি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭, ১৩:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭, ১৩:১০

options
link
শিবসেনার ফতোয়া, নবরাত্রিতে বন্ধ মাংসের দোকান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  নবরাত্রির সময় বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত মাংসের দোকান। গুরগাঁওয়ে এমনই ফতোয়া জারি করল শিবসেনা। তবে শুধু ফতোয়া জারি করেই সন্তুষ্ট নয় তারা। এলাকার প্রায় ৫০০টি মাংসের দোকান রীতিমতো জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

[হিন্দু মেয়ের সঙ্গে প্রেম করতে পারবে না মুসলিম যুবকরা, নিদান বিজেপি নেত্রীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নবরাত্রি উৎসবকে সামনে রেখে বেশ কিছু দোকানে হানা দেয় শিবসেনা কর্মীরা। বচসা শুরু হয় দোকানদারদের সঙ্গে। শুধু গোমাংস পাওয়া যায় এমন দোকানই নয়, বরং মুরগির মাংস পাওয়া যায় এমন দোকানও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এরমধ্যে বহুজাতিক ফাস্টফুড চেইন শপ কেএফসি-কে ছাড় দিয়েছে তারা। এক্ষেত্রে তাদের ব্যাখ্যা, কেএফসির বাইরে যেহেতু মাংস টাঙানো থাকেনা, তাই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

[দাউদের গোপন ঠিকানা ফাঁস করে দিল খোদ তার ভাই]

শিবসেনার দাবি, তারা গুরুগ্রামের সব মাংস দোকানের মালিকদের মাসখানেক আগে নোটিস দিয়ে নবরাত্রিতে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। বৃহস্পতিবার প্রায় দুশো জন শিবসেনা কর্মী অভিযান চালিয়ে সেক্টর ১৩, সঞ্জয়গ্রাম, রাজীবনগরের মতো এলাকার বেশিরভাগ মাংসের দোকান বন্ধ করে দেয়। গুরগাঁয়ের পুলিশ আধিকারিক মণীশ সেহগল জানিয়েছেন, কয়েকটি মাংসের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে সেগুলি খুলে দেওয়া হয়েছে। ওই দোকানগুলির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। তাই কোনও গোষ্ঠী বা সংগঠন জোর খাটিয়ে সেগুলি বন্ধ করতে পারে না।

তবে শিবসেনার শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় হিন্দু ক্রান্তি দলের হুমকি তাদের নির্দেশ অমান্য করলে ফল ভুগতে হবে দোকানদারদের। তারা জানিয়েছে এর আগে গুরুগ্রাম পুরসভা ও জেলা প্রশাসনকে এই ইস্যুতে  ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও, কোনও লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আসরে নামতে হয়েছে তাদের।

[এবার মদ কিনতেও লাগবে আধার কার্ড!]

এর আগে বিজেপি শাসিত অন্যান্য রাজ্যেও বেআইনি কসাইখানা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজস্থানের জয়পুর পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রায় চার হাজার কসাইখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এখন ধুমধামের সঙ্গে পালিত হচ্ছে নবরাত্রি। কিন্তু এলাকায় মাংসের দোকান এবং ফাস্ট ফুডের দোকান খোলা থাকলে নবরাত্রির ব্রত পালনে কী সমস্যা হবে, তার সদুত্তর শিবসেনা অবশ্য দিতে পারেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.