Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
শিব সেনা

‘রিমোট কন্ট্রোল শিব সেনার হাতে’, বিজেপিকে হুঁশিয়ারি সাংসদ সঞ্জয় রাউতের

মহারাষ্ট্রে বাঘের তর্জন-গর্জন বেড়েই চলেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৯, ১৮:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৯, ১৮:৩৩

options
link
‘রিমোট কন্ট্রোল শিব সেনার হাতে’, বিজেপিকে হুঁশিয়ারি সাংসদ সঞ্জয় রাউতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে বাঘের তর্জন-গর্জনে তটস্থ বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে দুই দলের মধ্যে সংঘাত বেড়েই চলেছে। এবার সেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউতের হুঁশিয়ারি, ‘মহারাষ্ট্রের ক্ষমতার রিমোট কন্ট্রোল রয়েছে শিব সেনার হাতে।’ তাতেই কপালে চিন্তার ভাঁজ বেড়েছে বিজেপির। শনিবারই উদ্ধব ঠাকরে দাবি করেন, আড়াই বছরের মুখ্যমন্ত্রিত্বের বিষয়টি লিখিত দিক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাতে পালটা মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের কটাক্ষ ছিল, ৫০-৫০ ফর্মুলা ভুলে যাক শিব সেনা, মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিরই হবে। রবিবার সঞ্জয় রাউতের মন্তব্যে দুই দলের তরজা চরমে পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত প্রথম শিব সেনা-বিজেপি জোট সরকার ছিল। তখন মাঝেমধ্যেই জোট শরিককে নরমে-গরমে চাপে রাখার কৌশল নিতেন বালসাহেব ঠাকরে। বলতেন, সরকারের রিমোট কন্ট্রোল রয়েছে বাঘের হাতে। সেই বাঘ যে তিনিই তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অন্য। গতবারের তুলনায় কম আসনে জয়ী হয়েছে শিব সেনা। তাই বিজেপি তাদের পাত্তা দিতে চাইছে না বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। কিন্তু মহারাষ্ট্রের বিগত পঞ্চাশ বছরের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে ফড়ণবিসই পুরো পাঁচবছর মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে ছিলেন। এটাই অক্সিজেন দিচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে।

Advertisement

রাউত দলের মুখপত্র ‘সামনা’য় নিজের কলামে লিখেছেন, ‘গতবারের তুলনায় এবার শিব সেনা কম আসন পেলেও মহারাষ্ট্রে ক্ষমতার রিমোট কন্ট্রোল রয়েছে আমাদের হাতে।’ উল্লেখ্য, ২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপি পেয়েছে ১০৫টি আসন। যা ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে অনেকটাই কম। শিব সেনার হাতে ৫৬ বিধায়ক। যৌথভাবে এই দুই দলের সরকার গড়তে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু, একক বৃহত্তম দল বিজেপি শিব সেনার মুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবি মানতে নারাজ।

[আরও পড়ুন: “৫০-৫০ ফর্মুলা ভুলে যান, বিজেপির নেতৃত্বেই সরকার হবে”, দাবি ফড়ণবিসের]

ফড়ণবিস বলছেন, “জনাদেশ পরিষ্কার বিজেপি-শিব সেনা, আরপিআই, আরএসপি, শিব সংগ্রাম জোটের পক্ষে। এই জনাদেশকে সম্মান করতে হবে। এই জনাদেশ অনুযায়ী বিজেপিই একক বৃহত্তম দল। আমরা দিওয়ালির পরই বিধানসভার দলনেতা নির্বাচন করব এবং তার পরপরই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার শক্তিশালী ও স্থায়ী হবে। তাছাড়া আগেরবারের তুলনায় আমাদের স্ট্রাইক রেট অনেক বেশি। আগেরবার আমরা ২৬০ আসনে লড়ে ১২২টি পেয়েছিলাম। এবার মাত্র ১৫০ আসনে লড়ে ১০৫টি জিতেছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.