Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন

এনসিপির সঙ্গে সরকার গঠনের তোড়জোড়, মোদির মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা শিব সেনার

শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে উদ্ধব ঠাকরের ফোনে কথা হয়েছে বলেই খবর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৯, ১৫:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৯, ১৫:১৪

options
link
এনসিপির সঙ্গে সরকার গঠনের তোড়জোড়, মোদির মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা শিব সেনার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাদের উপরেই নির্ভর করছিল মহারাষ্ট্রের সরকার গঠন। বহু দোলাচল শেষে শিবসেনা জানাল তারা এনডিএর সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করছে। বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল যে বিজেপি তাদের প্রতিনিধিকে মুখ্যমন্ত্রী পদ না দিলে এবার এনডিএ ত্যাগ করতেই পারে শিবসেনা। সোমবার সকালে সেই জল্পনা স্পষ্ট হয়ে গেল। কেন্দ্রীয় ভারীশিল্প মন্ত্রী ও শিবসেনা সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্তের ইস্তফা এই জল্পনায় সিলমোহর দিয়েছে।

সূত্রের খবর, সোমবার রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সরকার গঠনের কথা জানাতে পারে শিবসেনা। সরকার গঠন নিয়ে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে শরদ পাওয়ারের ফোনে কথাও হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এও জানা যাচ্ছে, সমর্থন দেওয়ার ব্যাপারে সহমত হয়েছেন শরদ পাওয়ার। বাইরে থেকে সমর্থন দেবে কংগ্রেস। এদিকে শিবসেনা সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত টুইট করে তাঁর ইস্তফার কথা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘সত্যের সঙ্গে রয়েছে শিবসেনা। রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে সরকারে থাকার কোনও অর্থ হয় না। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।’

Advertisement

[আরও পড়ুন : মহারাষ্ট্রে পালটা চাপ, সরকার গঠনের দায় শিব সেনার ঘাড়ে ঠেলে দিল বিজেপি]

মহারাষ্ট্রের ‘স্ট্রং ম্যান’ শরদ পাওয়ারের এনসিপি শিবসেনার দিকে সরকার গঠনের হাত বাড়াতেই বিজেপির সঙ্গে প্রকাশ্যেই দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে শিবসেনা। ঠাকরে পরিবারের তরফে আদিত্যকে মহারাষ্ট্রের তখতে বসাতে মরিয়া শিবসেনা এরপর থেকে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের জন্য গেমপ্ল্যান স্থির করে ফেলে। প্রসঙ্গত, পাওয়ার গোষ্ঠীর শর্ত ছিল, শিবসেনা যদি বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে,তাহলেই এই জোট সম্ভব হবে। আর এদিন খাতায় কলমে কার্যত শিবসেনা-বিজেপি জোট বিচ্ছেদ স্পষ্ট হয়ে গেল।

প্রসঙ্গত, ২৮৮ আসনের বিধানসভায় এ বার ২০০ আসন পার করে দেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা এনডিএ ঘোষণা করেছিল, তার থেকে অনেক দূরে থেমে যেতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। ১৪৫টি আসন পেলে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা মেলে মহারাষ্ট্রে। ২০১৪ সালে বিজেপি ২৬০টি আসনে একা লড়াই করে ১২২টি আসন পেয়েছিল। এবার তারা কোনওক্রমে ১০০ ছাড়িয়েছে। আর ভোটের আগে থেকেই একক বৃহত্তম দল হওয়ার এবং আদিত্য ঠাকরেকে মুখ্যমন্ত্রী করার হুংকার ছাড়তে থাকা শিবসেনা গতবার পাওয়া ৬৩টি আসনও ধরে রাখতে পারেনি। এবার আরও সাতটি আসন কমেছে তাদের। তবে দু’দলে মিলে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতার চেয়ে অনেকটা বেশিই পেয়েছে। যদিও গতবারের চেয়ে তা উল্লেখযোগ্য ভাবে কম।

[আরও পড়ুন: সাতসকালে ভূস্বর্গে ফের গুলির লড়াই, খতম ২ জঙ্গি ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.