Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

মাত্র ৫০ টাকার অভাবে বন্ধ সিটি স্ক্যান, হাসপাতালে বেঘোরে মৃত্যু শিশুর

অমানবিক!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১৬:৪৬

options
link
মাত্র ৫০ টাকার অভাবে বন্ধ সিটি স্ক্যান, হাসপাতালে বেঘোরে মৃত্যু শিশুর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  মানুষের জীবন অমূল্য। কিন্তু তা যেন নেহাতই কথার কথা। বাস্তবে কী মানুষের প্রাণের আদৌও কোনও দাম আছে?  বোধহয় না। মানুষের জীবনের সত্যি যদি কোনও দাম থাকত, তাহলে মাত্র ৫০ টাকার জন্য এক বছরের শিশুকে বেঘোরে মরতে হত না?  মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স বা রিমস-এ।

সিনেমা হলে বাজছে জাতীয় সংগীত, বসেই থাকলেন তিন কাশ্মীরি যুবক! ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রবিবার বাড়িতে খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিল শ্যাম কুমার নামে ওই শিশুটি। মাথার গুরুতর আঘাত লেগেছিল। তাকে তড়িঘড়ি রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স বা রিমস-এ নিয়ে গিয়েছিলেন পরিবারের লোকেরা। প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশুটির সিটি স্ক্যান করানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। সিটি স্ক্যান করাতে শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালেরই সংশ্লিষ্ট বিভাগে যাওয়া হয়। তখন তাঁদের জানানো হয়, সিটি স্ক্যান করতে ১৩৫০ টাকা লাগবে। কিন্তু, শিশুটির বাবা কাছে ১৩০০ টাকা ছিল। তিনি বারবার অনুরোধ করেন, আগে শিশুটির সিটি স্ক্যান করানো হোক। বাকি টাকা তিনি মিটিয়ে নেবেন। কিন্তু, অসহায় বাবার কোনও কথাই শুনতেই রাজি ছিলেন না হাসপাতালের কর্মীরা। তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, পঞ্চাশ টাকা না দিলে শিশুটির সিটি স্ক্যান করা হবে না। শেষপর্যন্ত এক বন্ধুকে ফোন করে ৫০ টাকা নিয়ে হাসপাতালে আসতে বলেন ওই শিশুটির বাবা। কিন্তু, সেই বন্ধু যখন হাসপাতালে পৌঁছান, ততক্ষণে শিশুটি মারা গিয়েছে।

[রান্না কে করবে? বচসার জেরে প্রেমিককে কুপিয়ে খুন যুবতীর]

প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগেও ঝাড়খণ্ডের সরকারি হাসপাতালে এক অমানবিক ঘটনা ঘটেছিল। নিজের তিন বছরের শিশুসন্তানকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল গুমলা জেলার বাসিন্দা সরিতা ওঁরাও। চিকিৎসার পর শিশুকন্যাটিকে ছেড়েও দেওয়া হয়েছিল। অসুস্থ মেয়েকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অ্যাম্বুল্যান্স দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন সরিতা। কিন্তু, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দেয়, অসুস্থ রোগীর জন্য অ্যাম্বুল্যান্স দেওয়া সম্ভব নয়। শেষপর্যন্ত মেয়ে কোলে নিয়েই ৪০ কিমি দূরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন সরিতা। মেয়েকে অবশ্য জীবিত অবস্থায় বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি তিনি। মাঝপথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে তিন বছরের শিশুকন্যাটি।

[আয়কর আইনের অপব্যবহার করছে হাসপাতালগুলি, ক্যাগের বিস্ফোরক রিপোর্ট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.