সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে থাকতে হলে জাতীয় সংগীত এবং ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে সমস্ত ছাত্রদের। আগামী জুলাই মাস থেকে এমন নিয়মই আনতে চলেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। জানিয়েছেন সে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ধান সিং রাওয়াত।
[দু’টো স্কুলের খরচ জোগান শহরের এই ট্যাক্সিচালক]
রুরকিতে কলেজ ছাত্রছাত্রীদের একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘উত্তরাখণ্ডে থাকতে হলে বন্দে মাতরম গাইতে হবে।’ তিনি আরও জানান, প্রত্যেক কলেজে সকাল ১০ টায় জাতীয় সংগীত বাজবে এবং বিকেল ৪টেয় বন্দে মাতরম বাজানো হবে। এর পাশাপাশি কলেজগুলিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের ছাত্রছাত্রীদের জন্যও আলাদা পোশাকবিধি চালু করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এই সমস্ত নিয়মই আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চালু করার কথা ভাবছে উত্তরাখণ্ড সরকার।
[তুষারঝড়ে হিমাচল প্রদেশে আটক কমপক্ষে ৭৫ জন বাঙালি পর্যটক]
যদিও পরে ধান সিং রাওয়াত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার কথার ভুল মানে করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে আমার পুরো বক্তব্যের ভিডিওটি দেখানো হয়নি। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে আমরা কলেজ এবং স্কুলগুলিতে বন্দেমাতরম গাওয়ার নিয়ম আনতে চলেছি। সবাইকেই গাইতে হবে। আর আমাদের রাজ্যে কেউ এই ব্যাপারে আপত্তি জানায়নি।’তবে দান সিংয়ের এই কথায় ইতিমধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
[২৫ নয়া চুক্তির প্রস্তাব নিয়ে দিল্লিতে হাসিনা, রাতেই পৌঁছচ্ছেন মমতা]
এর আগে গত সপ্তাহে মিরাটের মেয়র হরিকান্ত আলুয়ালিয়া জানিয়েছিলেন, যেসব সদস্য বন্দে মাতরম গাইতে অস্বীকার করবে তাঁরা ভবিষ্যতে নগর নিগমের কোনও কাজে অংশ নিতে পারবে না। মিরাটের ছাড়াও এই বিষয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এলাহাবাদ নগর নিগমে। সেখানকার বিজেপি কাউন্সিলররা গত বৃহস্পতিবার নতুন আইনের দাবি তোলেন। সেই আইন অনুযায়ী, এলাহাবাদ নগর নিগমে প্রতিদিন সরকারিভাবে কাজ শুরুর আগে বন্দে মাতরম এবং শেষে জাতীয় সংগীত জনগণমন গাইতে হবে।
[দু’টো স্কুলের খরচ জোগান শহরের এই ট্যাক্সিচালক]
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার