Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
করোনা

করোনা মোকাবিলায় সক্রিয় কংগ্রেস! ত্রাণ বিলি নিয়ে প্রদেশ সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক সোনিয়ায়

হারানো জমি ফিরে পেতে হাতিয়ার করোনা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২০, ১৭:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২০, ১৭:৪১

options
link
করোনা মোকাবিলায় সক্রিয় কংগ্রেস! ত্রাণ বিলি নিয়ে প্রদেশ সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক সোনিয়ায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কংগ্রেস এবং সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) কংগ্রেসের মূল পার্থক্য সম্ভবত এটাই। রাহুলের আমলে কংগ্রেস ছিল অন্ধ বিরোধী, তুলনায় কম সক্রিয়। সোনিয়া দ্বিতীয়বার সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে অন্ধ বিরোধিতা ভুলে দেশের দুঃসময়ে দলকে সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন। এতদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) চিঠি লিখে সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরছিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী। এবার তিনি দলীয় কর্মীদের মাঠে নামানোর প্রচেষ্টা শুরু করলেন।

কংগ্রেস সুত্রের খবর, আগামী ১১ এপ্রিল দলের সব প্রদেশ সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সোনিয়া। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কথা বলবেন রাজ্য নেতাদের সঙ্গে। মুলত ত্রাণ বিলি, এবং লকডাউন চলাকালীন দুঃস্থদের সাহায্যার্থে কর্মীদের রাস্তায় নামানোর উদ্দেশ্যে এই বৈঠক। বিজেপি কর্মীরা ইতিমধ্যেই করোনার মোকাবিলায় রাস্তায় নেমে পড়েছেন। দলের তরফে ৫ কোটি দুস্থ পরিবারকে প্রতিদিন খাবার পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে কংগ্রেস। তাই খামতি পুরনে সোনিয়া দ্রুত কর্মীদের কাজ শুরু করার নির্দেশ দিতে পারেন। এই সুযোগে দলের ভগ্নপ্রায় সাংগঠনিক কাঠামোও খতিয়ে দেখে নেবে কংগ্রেস।

[আরও পড়ুন: বেসরকারি হাসপাতালেও বিনামুল্যে হোক করোনা পরীক্ষা, কেন্দ্রকে পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের]

উল্লেখ্য, করোনা ইস্যুতে শুরু থেকেই সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে আসছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বেশ কয়েকটি চিঠি লিখেছেন সোনিয়া। করোনা নিয়ে সরকারকে একাধিক পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবারই এক চিঠি লিখে মোদিকে পাঁচ দফা পরামর্শ দেন কংগ্রেস সভানেত্রী। সংবাদমাধ্যমে সরকারি বিজ্ঞাপন, দিল্লির সৌন্দর্যায়নে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ এবং সরকারি টাকায় বিদেশ সফর বন্ধ করার জন্য আরজি জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি লিখেছেন, পিএম-কেয়ার ফান্ডকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিলের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া উচিত। তাহলে তহবিলের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা থাকবে। এর আগে মোদিকে চিঠি লিখে পরিযায়ী শ্রমিক ও নির্মাণ শ্রমিকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.