২৪ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  রবিবার ৭ জুন ২০২০ 

Advertisement

‘কোনও ভাষাই জোর করে চাপাতে পারেন না’, অমিত শাহকে কটাক্ষ রজনীকান্তের

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: September 18, 2019 4:17 pm|    Updated: September 18, 2019 4:17 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  গত শনিবার হিন্দি দিবসের দিন দেশের পরিচয় হিসাবে ‘হিন্দি’কে ‘জাতীয় ভাষা’র তকমা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে একাধিক রাজনৈতিক দল ও জাত-ধর্ম নির্বিশেষে বিশিষ্ট মানুষরা প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক ভাষা’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। বিশেষত, দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে প্রতিবাদ আরও জোরালো হয়েছে। এবার সেই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন শিবাজী রাও গায়কোয়াড় ওরফে রজনী আন্না, অর্থাৎ অভিনেতা রজনীকান্ত

[আরও পড়ুন:  খুনের রহস্য সমাধানে এবার সত্যান্বেষী পরমব্রত, সঙ্গী রুদ্রনীল]

“শুধু হিন্দি কেন, কোনও ভাষাই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না ভারতবাসীর উপর”, সাফ জানিয়ে দেন থালাইভা। ভারতের উত্তর ও দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে কিছুতেই এক ভাষা মেনে নেবে না, বুধবার চেন্নাই বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানান রজনীকান্ত।

 

গত ১৪ সেপ্টেম্বর হিন্দি দিবসে অমিত শাহ বলেছিলেন, “বিশ্বের কাছে ভারতের পরিচিতির জন্য একটি সাধারণ ভাষা থাকা দরকার। যেহেতু দেশে হিন্দি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা, তাই হিন্দিই হোক সেই ভাষা।” অমিত শাহের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন দক্ষিণী অভিনেতা তথা মাক্কাল নিধি মাইয়াম দল প্রধান কমল হাসান। এবার তার সমর্থনে মুখ খুললেন রজনীকান্ত। সাংবাদিকদের উদ্দেশে দক্ষিণী এই সুপারস্টার বলেন, ‘‘শুধু ভারত কেন, যে কোনও দেশেই একটি সাধারণ ভাষার তত্ত্ব ঐক্য ও উন্নতির জন্য ভাল নয়। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে কেউই দেশে কোনো একটা সাধারণ ভাষা নিয়ে আসার নিয়ম চালু করতে পারে না। আপনি কোনও ভাষাকে জোর করে চাপিয়ে দিতে পারেন না।”

[আরও পড়ুন:  আদর-আড়ম্বর ফিকে, তবু সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বালিয়ে রাখে মানভূমের চিরায়ত ভাদু ]

“কোনও শাহ, সুলতান বা সম্রাটের মর্জিমাফিক দেশ চলবে না। দরকারে জাল্লিকাট্টুর চেয়েও বড় আকারে প্রতিবাদ হবে” সোমবার এমন মন্তব্যেই কেন্দ্রের প্রতি হুঁশিয়ারি দাগেন কমল হাসান।

কেন্দ্রকে সতর্ক করে দিয়ে এই বিশিষ্ট অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বলেছেন, “ভাষা ও সংস্কৃতি অপরিবর্তিত রেখেই ভারত প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়েছিল। গণতন্ত্রের শপথের সময় আমরা বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।” কমল হাসান আরও বলেন, “জোর করে হিন্দিকে চাপিয়ে দেওয়া হলে, তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। ঐক্যবদ্ধ ভারত কারও একচেটিয়া সম্পত্তি নয়। জাল্লিকাট্টু ছিল নিছকই একটা প্রতিবাদ। তামিল আমাদের মাতৃভাষা। যদিও আমরা সব ভাষাকেই সম্মান করি। কিন্তু মাতৃভাষার ভাষার জন‌্য লড়াই কিন্তু আরও অনেক বড় আকার নেবে।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement