সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বাস বললে বিশ্বাস। তর্ক করলে তর্ক। তবু আজও যে এ পৃথিবীতে অলৌকিক কিছু ঘটে, তা অস্বীকার করা যায় না। সবই কাকতালীয় নয়। যেমন মধ্যপ্রদেশের পীতাম্বর পিঠের বগলামুখী মন্দিরে পুজো দেওয়ার ঘটনা। যখনই এ মন্দিরে ভারতের জয়কামনায় পুজো দেওয়া হয়েছে, তখনই জয়লাভ করেছে ভারতীয় সেনা।
[ আজ কারগিল বিজয় দিবস, এই তথ্যগুলি জানেন কি? ]
এ মন্দিরের আরাধ্যা দেবী যে কত জাগ্রত, ইতিহাসই যেন তার সাক্ষী দিচ্ছে। সাল ১৯৯৯। সীমান্তে বাজছে কারগিল যুদ্ধের দামামা। ভারতের ইতিহাসের অন্যতম বড় যুদ্ধ। একদিকে সমরসজ্জা, রণনীতি, কূটনৈতিক কৌশল সাজানো চলছে। অন্যদিকে ঠিক সে সময়ই গোপনে এই বগলামুখী মন্দিরে পুজো দিতে আসেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। দেশের জয় কামনায় সাধকরা যজ্ঞ করেন। হয় বিশেষ পুজোপাঠ। অতঃপর জয় আসে। সেনার বীরত্বের পাশাপাশি, অনেকেরই বিশ্বাস দেবীমাহাত্ম্যেও।
[ কেন আম্বেদকরের মূর্তিতে মালা দিলেন না, প্রশ্নের মুখে কোবিন্দ ]
কেন বাজপেয়ীজি এ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন? কেননা ইতিহাস বলছে, এ মন্দিরে পুজো দিলে যে কোনও যুদ্ধে জয়লাভ অবশ্যম্ভাবী। শত্রুনাশক হিসেবে দেবী জাগ্রত, এমনটাই মনে করেন সকলে। সকলে বলতে খোদ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহওরলাল নেহরুও। ১৯৬২-র চিন যুদ্ধের সময় তিনিও এ মন্দিরে পুজো দিয়েছিলেন। শোনা যায় ইন্দিরা গান্ধীও এই মন্দিরে পুজো দিয়ে জয় কামনা করতেন। সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে। ৬২, ৬৫, ৭১-এর যুদ্ধ পরিস্থিতি হোক, কিংবা কারগিল-যখনই ভারতের সামনে সংকট ঘনিয়ে এসেছে তখনই এই মন্দিরে বিশেষ পুজো ও যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। আর প্রতিবারই সাফল্য পেয়েছে ভারত। আজও তাই বহু নেতা-মন্ত্রীই এই মন্দিরে পুজো দিতে চান। সংকট মোচনের লক্ষ্যে আজও তাঁদের ভরসা দেবীর উপরেই।
[ পাঠ্যবই থেকে কবিগুরুকে ছাঁটার কথা ওঠে কী করে, সওয়াল মমতার ]
সর্বশেষ খবর
-
একেই বলে বিশ্বসেরা, শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে কামব্যাক আর্জেন্টিনার, ইংল্যান্ড হারিয়ে ফাইনালে মেসিরা
-
একুশ নিয়ে তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, কালীঘাট মুছল অভিষেককে! ঋতদের পোস্টারে প্রাধান্য মণীষীদের
-
ক্লাসরুমের মধ্যেই ঠোঁটঠাসা চুমু, জড়িয়ে ধরে উদ্দাম প্রেম শিক্ষক-শিক্ষিকার! ভিডিও ভাইরাল
-
ঝগড়া হতেই ছুরি বের করে প্রেমিকার গলায় কোপ! হাওড়ায় হাসাপাতালেই তরুণীর মৃত্যু
-
দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত! দিলজিৎদের ‘রুখতে’ এবার ওটিটিতেও সেন্সরের পথে কেন্দ্র