প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা (Primary Teacher Recruitment Case) গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, এখনই কোনও শিক্ষকের চাকরি বাতিল করা হচ্ছে না। তবে যাঁরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষা দিচ্ছেন, তাঁরা আদৌ টেট পাশ কিনা, তা জানা প্রয়োজন। আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
বলে রাখা ভালো, ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২৩ সালের মে মাসে তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে চাকরি বাতিলের পরও তাঁদের কর্মরত থাকতে বলা হয়। বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিন মাসের মধ্যে রাজ্যকে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তাতে যোগ্য ও উত্তীর্ণ প্রার্থীদের চাকরি বহাল থাকবে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় পর্ষদ। তৎকালীন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। গত বছরের ১২ নভেম্বর মামলাটির শুনানি শেষ হয়। রায়দান স্থগিত ছিল।
আরও পড়ুন:
২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ রায়দান করে। প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, প্রাথমিকের ৩২ হাজার চাকরি বাতিল নয়। স্বপদে বহাল রইলেন প্রত্যেকে। আদালতের রায়ে স্বস্তিতে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, “দীর্ঘ ৯ বছর পর চাকরি বাতিল করলে পরিবারগুলির উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে।” ফের এই মামলাই গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সুজানকে ৪০০ কোটির খরপোশ হৃত্বিকের! বিচ্ছেদের ১২ বছর পর প্রকাশ্যে চরম সত্য
-
তেহরানে শুরু আয়াতোল্লা খামেনেইর অন্ত্যেষ্টি, ইরানে পৌঁছেই শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভারতীয় প্রতিনিধি দলের
-
শিক্ষায় ডিজিটাল ভারতের উৎকর্ষ! শিক্ষাগত তথ্য স্থানান্তর হল আরও সুরক্ষিত
-
মমতার হয়ে আপনি, অভিষেকের কৌঁশলী কে? এজলাসে বিচারপতির প্রশ্নে ‘নির্বাক’ কল্যাণ
-
প্রস্রাবে রক্ত? ছোটখাটো রোগ ভেবে অবহেলা নয়, চুপিসারে বাড়তে পারে কিডনি ক্যানসার!