Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Supreme Court

নিরপেক্ষ মনে হয় যেন, স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ‘সুপ্রিম’ সওয়াল

আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হল সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ। নির্বাচন কমিশন যদি স্বাধীন না হয়, তবে অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। কমিশনকে শুধুমাত্র নিরপেক্ষ হলেই চলবে না, কাজের মাধ্যমে তা নিরপেক্ষ বলে মনেও হতে হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ০৯:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ০৯:৪৫

options
link
নিরপেক্ষ মনে হয় যেন, স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ‘সুপ্রিম’ সওয়াল zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অপরিহার্য অংশ এবং নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বাধীন বলে প্রতীয়মান না হলে তা নিশ্চিত করা যায় না। বৃহস্পতিবার একটি মামলায় এমনই মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) নিয়োগ সংক্রান্ত একটি নতুন আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা ছ’টি আবেদনের চূড়ান্ত শুনানির সময় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এই পর্যবেক্ষণ করে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হল সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ। নির্বাচন কমিশন যদি স্বাধীন না হয়, তবে অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। কমিশনকে শুধুমাত্র নিরপেক্ষ হলেই চলবে না, কাজের মাধ্যমে তা নিরপেক্ষ বলে মনেও হতে হবে।

Advertisement

২০২৩ সালের মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্ট একটি ঐতিহাসিক রায়ে বলেছিল, নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির একটি কমিটি কাজ করবে। কিন্তু পরে সংসদ নতুন আইন পাস করে। যেখানে সিজেআই-এর পরিবর্তে একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে কমিটিতে রাখা হয়, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০২৪-এর ২ জানুয়ারি নয়া আইন কার্যকর হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে।

অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি জোরালোভাবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেছেন যে, আইন প্রণয়নের নিরঙ্কুশ অধিকার সংসদের রয়েছে এবং অনুপ বারানওয়াল মামলায় পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চের প্রস্তাবিত ‘সাময়িক’ ব্যবস্থা অনুসরণ করতে সংসদ বাধ্য নয়। কোনও কিছু খারাপ কি না, তা জানতে হলে তার ফল ভোগ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন তাদের প্রকৃত কার্যক্রমে স্বাধীনতার অভাব প্রদর্শন না করলে, আইনটিকে অবৈধ ঘোষণা করা যায় না।

তিনি বেঞ্চকে ‘আইন প্রণয়ন ক্ষেত্রে প্রবেশ করা’ বা ‘সংসদের দ্বিতীয় কক্ষ’ হিসাবে কাজ করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্যানেলে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ক্যাবিনেট মন্ত্রী থাকায় তা নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হতে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে। বিচারপতি দত্ত রাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধার উপর জোর দেন। তিনি বলেন, “সংসদ বিচার বিভাগের উপর যে কোনও কিছু আরোপ করতে পারে, কিন্তু আমরা আমাদের লক্ষ্মণরেখা জানি। আমরা কখনও তা করব না। ” ধারা ১৪৫(৩)-এর অধীনে বিষয়টি বৃহত্তর পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে আদালত। শুনানি শেষ হয়নি। পরবর্তী শুনানি চলবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.