স্টাফ রিপোর্টার, নয়াদিল্লি: বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। ওই মামলায় শীর্ষ আদালত রাজ্যকে বার্তা দিয়েছে, কোনও মামলা দায়ের করার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকা উচিত নয়।
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ছিল। শীর্ষ আদালত মামলাটি খারিজ করে রাজ্যকে বলেছে, “এফআইআর দায়ের নিয়ে রাজনীতি করবেন না। চার্জশিট দাখিল হয়ে গিয়েছে, আইনকে আইনের পথে চলতে দিন।” আদালতের নির্দেশে বিচারপতি সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তারা বিচারপতির স্বামীকে কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলবও করে। অভিযোগ উঠেছিল বিচারপতির স্বামীকে হেনস্তা করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: গাড়ি নেই, বাড়িও নেই! কত সম্পত্তির মালিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়]
উল্লেখ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি অপরাধের মামলায় অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ উঠেছিল বিচারপতি সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ষাটোর্ধ্ব এক বিধবা এবং তাঁর মেয়ে অভিযোগ করেন, আইনত পৈতৃক সম্পত্তি পেলেও তাঁর দাদার পরিবার তা থেকে তাঁকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে। তাঁর আরও অভিযোগ, মারধরও করা হয় তাঁকে। যার প্রমাণ রয়েছে সিসিটিভি ফুটেজে। তিনি আত্মীয়দের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন। তাঁর আত্মীয়দের হয়ে মামলা লড়ছিলেন বিচারপতির স্বামী।
বৃদ্ধার দাবি, স্ত্রীর পদমর্যাদা কাজে লাগিয়ে তদন্তে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন আইনজীবী। বৃদ্ধার আরও অভিযোগ, বিচারপতির দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয় তদন্তকারীকে। তাঁকে রীতিমতো ধমক দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ বৃদ্ধার। অভিযোগকারিণী এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। পরে অবশ্য এই মামলায় বাড়তি পদক্ষেপ করা যাবে না বলেই জানায় সুপ্রিম কোর্ট।
[আরও পড়ুন: শিক্ষিকার চাকরির টোপ দিয়ে শ্লীলতাহানি! রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগকারিণী]
সর্বশেষ খবর
-
প্রথম ম্যাচের আগে সুস্থ হবেন ইয়ামাল, বার্তা স্প্যানিশ কোচ ফুয়েন্তের
-
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকাই কি বাংলার পরবর্তী বোলিং কোচ? বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন হতেই জল্পনা
-
মাতলার চরে সবুজের উৎসব, সুন্দরবন বাঁচাতে রোপণ করা হল হাজার হাজার ম্যানগ্রোভ
-
গ্রেপ্তারির পর কেন কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে রাস্তায়? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট
-
‘বৈজ্ঞানিক সত্য’-র দায় নেই, ‘রাজনৈতিক সত্য’ হওয়ার