সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শবরীমালায় আয়াপ্পা মন্দিরে সোনা চুরি মামলায় দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সদস্য কেপি শংকর দাসের আবদার খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। তিনি দাবি করেছিলেন যে মন্দিরে সোনা চুরি মামলায় কেরল হাই কোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ মুছে ফেলা হোক। এই দাবি খারিজের পাশাপাশি ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালতের মন্তব্য, “আপনারা ঈশ্বরকেও ছাড়ছেন না।”
শবরীমালা মন্দিরের সোনায় মোড়া তামার পাত ও অন্যান্য ধাতব সামগ্রী মেরামত ও ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের জন্য বাইরে পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, মন্দিরের জিনিস ফেরত এলে দেখা যায় তাতে সোনার পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। মেরামতির নাম করে মন্দিরের সোনা চুরি গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় সিট গঠন করে কেরল পুলিশ। তদন্তের পর সিট অভিযোগ আনে, প্রধান অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পট্টিই মন্দিরের সোনা সরান।
সোমবার মামলা উঠেছিল বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চে। শবরীমালা মন্দিরের সোনা চুরি নিয়ে কেরল হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণের পাঁচটি অনুচ্ছেদ মোছার দাবি খারিজ করে দুই বিচারপতির বেঞ্চ বলে, দেবস্বম বোর্ডের সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করেছিলেন শংকর দাস। ফলে তিনি চুরির মামলার দায় এড়াতে পারেন না। উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী আদেশে কেরল হাইকোর্টের বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, দেবস্বম বোর্ডের সদস্য শংকর দাস এবং বিজয়কুমার সোনা চুরির জন্য দায়ী। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, শংকর দাস যদি আগাম জামিনের আবেদন করেন, তাহলে আইন অনুসারে তা বিবেচনা করা হবে।
এদিকে সিটকে তদন্ত শেষ করার জন্য আরও ছয় সপ্তাহ সময় দিয়েছে কেরল হাইকোর্টের দেবস্বম বেঞ্চ। সিট আদালতে জানিয়েছে, তদন্তের কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। এই সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী রিপোর্ট আগামী ১৯ জানুয়ারি জমা দেওয়া হবে।
সর্বশেষ খবর
-
মানাসলুর তুষারঝড় থেকে বেঁচে ফেরেন! ধ্রুবজ্যোতির মৃত্যুতে সেই ভয়াবহ অতীত স্মরণ পর্বতারোহীর
-
দেবীর সঙ্গে পূজিতা দুই দাসীও, বাংলার শতাব্দী প্রাচীন পুজোর নেপথ্য কাহিনি কী?
-
রাম মন্দিরে শতাধিকবার চুরি, ধরা পড়ে সিসিটিভিতেই, তবু কেন অধরা ছিল দোষীরা?
-
ভুল চিকিৎসায় শিশুমৃত্যু, পলাতক ভুয়ো ডাক্তার, মৃতের মায়ের নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি!
-
এআইয়ের সাহায্যে ভয়ংকর বিস্ফোরক বানাচ্ছে বোকো হারাম, জঙ্গি হানার ছকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা