Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬
Patna High Court

সালোয়ার সরানো বা স্তনে হাত ধর্ষণের চেষ্টা নয়! রায় পাটনা হাই কোর্টের, উদ্বেগপ্রকাশ শীর্ষ আদালতের

পাটনা হাই কোর্টের ওই রায়ের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সেটাতে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে হস্তক্ষেপ করেছে শীর্ষ আদালত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ২০:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ২০:৫৩

options
link
সালোয়ার সরানো বা স্তনে হাত ধর্ষণের চেষ্টা নয়! রায় পাটনা হাই কোর্টের, উদ্বেগপ্রকাশ শীর্ষ আদালতের zoom
ছবি AI দ্বারা নির্মিত।

শ্লীলতাহানি এবং ধর্ষণের চেষ্টার পার্থক্য সংক্রান্ত রায় দিয়ে বিপাকে পাটনা হাই কোর্ট। বিচারপতির বিতর্কিত পর্যবেক্ষণ নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট বলছে, এই ধরনের বিতর্কিত রায় মাঝে মাঝেই হচ্ছে। বিচারপতিরা সঠিকভাবে পড়াশোনাও করছেন না।

ঠিক কী বলেছিল পাটনা হাই কোর্ট?
সম্প্রতি ২০০৮ সালের একটি মামলার ভিত্তিতে পাটনা হাই কোর্ট বলে দেয়, আইনি পরিভাষায় ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ এবং ‘শ্লীলতাহানি’র মধ্যে পার্থক্য আছে। কোনও মহিলার সালোয়ার সরানো বা স্তনে হাত দেওয়া শ্লীলতাহানি হতে পারে কিন্তু ধর্ষণের চেষ্টার প্রমাণ হতে পারে না। যদি না সেখানে ধর্ষণের স্পষ্ট উদ্দেশ্য বা শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ থাকে। পাটনা হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, শ্লীলতাহানির ক্ষেত্রে সাজা কম। এবং ধর্ষণের চেষ্টার ক্ষেত্রে শাস্তি অনেকটা বেশি। দুটোর মধ্যে ফারাক আছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০০৮ সালের ১৯ জানুয়ারি বিহারের বাঁকা জেলার অমরপুর এলাকার বাসিন্দা এক তরুণী এক স্টুডিও মালিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ করেন। ওই তরুণী গিয়েছিলেন ছবি তুলতে। অভিযোগ তাঁর অভিভাবককে কম্পিউটারে ছবি দেখানোর আছিলায় আটকে রেখে বদ্ধ ঘরে স্টুডিও মালিক তাঁর সালোয়ার খুলে দেয় এবং স্তনে হাত দেয়। এই ঘটনার ভিত্তিতে নিম্ন আদালত অভিযুক্তকে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ এবং ‘বেআইনিভাবে আটকে রাখা’র অপরাধে ৩ বছরের সাজা দেয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই পাটনা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল অভিযুক্ত। হাই কোর্ট জানায়, ওই অভিযুক্ত শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত হতে পারেন, কিন্তু ধর্ষণের চেষ্টা নয়। পাটনা হাইকোর্ট স্পষ্ট জানায়, ধর্ষণের চেষ্টার জন্য যে ধরণের প্রমাণ বা ন্যূনতম শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা থাকা প্রয়োজন, তা এখানে মেলেনি। নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে অভিযুক্তকে মুক্তি দেয় হাই কোর্ট।

পাটনা হাই কোর্টের ওই রায়ের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সেটাতে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে হস্তক্ষেপ করেছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ হাই কোর্টের ওই পর্যবেক্ষণ খারিজ করে এই রায় নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগপ্রকাশ করেছে। শীর্ষ আদালত বলছে, “এই রায়ের ক্ষেত্রে সঠিক পর্যবেক্ষণ বা পড়াশোনা না করে দেওয়া হয়নি সেটা স্পষ্ট।” বিচারপতি মোহনা বলেন, “সমস্যা হল এই ধরনের রায় আজকাল আকছার হচ্ছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.