সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারের সমালোচনায় মুখ খোলা মানেই যে দেশদ্রোহিতা নয়, তা স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ সাম্প্রতিক অতীতে ওঠা বেশ কয়েকটি দেশদ্রোহিতার অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মত দেশের সর্বোচ্চ আদালতের৷
সরকারের কাজের সমালোচনা করলেই তা দেশদ্রোহিতার সামিল, এরকম এক ধারনা যেন বদ্ধমূল হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে৷ এই মর্মে বেশ কিছু অভিযোগও জমা পড়েছে৷ যার সাম্প্রতিক নজির দক্ষিণী অভিনেত্রী রম্যার বিরুদ্ধে ওঠা দেশদ্রোহিতার অভিযোগ৷ পাকিস্তান নরক নয়, এই বলে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের বিরোধিতার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল৷ এরকম ঘটনা একটি নয়, ছাত্র আন্দোলনের ক্ষেত্রেও বারবার উঠে এসেছে এ প্রসঙ্গই৷ সামগ্রিক ভাবে দেশে রাষ্ট্রদোহিতা আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেই অভিযোগ উঠছিল নানা মহল থেকে৷কোনও কোনও ক্ষেত্রে দেশদ্রোহিতা আইনের সংশোধনও দাবি করা হচ্ছিল৷ ‘কমন কজ’ নামে এক এনজিওর তরফে জনৈক আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ সে ব্যাপারেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন৷ এই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি দীপক মিশ্র ও ইউইউ ললিতের বেঞ্চ ১৯৬২ সালের এক মামলার রায়কে মনে করিয়ে এই সিদ্ধান্ত জানাল৷
সর্বোচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, দেশদ্রোহিতা সংক্রান্ত আইন (১২৪এ) সংশোধনের এই মুহূর্তে কোনও দরকার নেই৷ তবে তা সঠিকভাবে বুঝে প্রয়োগ করা প্রয়োজন৷ সরকারের সমালোচনা করা যেতেই পারে, কিন্তু তা যখন হিংসায় প্ররোচনা দেয় বা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তখন তা অপরাধ পর্যায়ভুক্ত৷ হিংসাত্মক কোনও প্ররোচনা ছাড়া যত কঠোর ভাষাতেই সরকারি কাজের সমালোচনা করা হোক না কেন, তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে পড়ে না বলেই জানাল সুপ্রিম কোর্ট৷
সর্বশেষ খবর
-
কারা পাবেন আবাসের বাড়ি? সুবিধাভোগী যাচাইয়ে ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা, রয়েছে ‘সেলফ সার্ভে’র সুবিধাও
-
এবার বাংলা সিনেমায় রামচরণ! বঙ্গে পদ্ম ফুটতেই দক্ষিণী সুপারস্টারের নজরে টলিউড?
-
এবার ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, ফের জেল হেফাজতে প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার
-
‘ভারত-চিন সম্পর্কে নাক গলাবে না রুশ’, ত্রিকোণ বন্ধুত্বের সমীকরণে স্পষ্ট বার্তা পুতিনের
-
কাটমানি না দিলে বাড়ি নয়, বড়ঞায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী-সহ ৪