Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sharad Pawar

‘নিজের পায়ে দাঁড়ান’, সুপ্রিম নির্দেশে প্রচারে শরদ পওয়ারের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না অজিত

২০২৩ সালের ২ জুলাই শরদের সঙ্গ ছেড়ে অধিকাংশ এনসিপি বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহী হয়েছিলেন অজিত। শিন্ডের নেতৃত্বাধীন ‘মহাজুটি’ সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রীও হন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৪, ১৬:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৪, ১৬:১৭

options
link
‘নিজের পায়ে দাঁড়ান’, সুপ্রিম নির্দেশে প্রচারে শরদ পওয়ারের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না অজিত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের ভোটের মুখে জোর ধাক্কা অজিত পওয়ার (Ajit Pawar) শিবিরের। ভোটপ্রচারে কাকা শরদ পওয়ারের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না অজিত বা তাঁর দলের নেতারা। সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশের থেকেও বড় ধাক্কা হল, কড়া ভাষায় শীর্ষ আদালতে সমালোচিত হতে হল এনসিপিকে। বস্তুত শীর্ষ আদালত অজিত পওয়ারকে বলে দিল, কাকার ভাবমূর্তি ব্যবহার করা বন্ধ করে এবার নিজের পায়ে দাঁড়ানো উচিত তাঁর।

মহারাষ্ট্রের ভোটপ্রচারে শরদ পওয়ারের (Sharad Pawar) জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করতে চাইছে এনসিপির অজিত শিবির। এই অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে শরদের দল। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে একটি ভিডিও দেখিয়ে শরদ শিবিরের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি দাবি করেন, অজিত পওয়ার আসলে কাকার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ভোট ময়াদানে সাফল্য পেতে চাইছে। বিশেষ করে যে ৩৬ আসনে দুই শিবিরের সরাসরি লড়াই, সেই দুই শিবিরে এই প্রচারের সরাসরি সুবিধা পাবে অজিত শিবির। তারা দুই এনসিপিকে একই দল হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তাতে অজিত শিবিরের লাভ। কারণ দলের পুরনো প্রতীক তাঁর দখলেই।

Advertisement

পালটা অজিত শিবিরের আইনজীবী দাবি করেন, যে ভিডিও দেখানো হয়েছে সেটা পুরনো। এই ধরনের কোনও প্রচার করা হচ্ছে না। তাতে বিচারপতি সূর্য কান্ত সাফ বলে দেন, “ভিডিওটি নতুন না পুরনো সেটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনারা যে স্বতন্ত্র একটা রাজনৈতিক দল। আপনাদের সঙ্গে শরদ পওয়ারের যে আদর্শগত বিভেদ আছে, সেটা স্পষ্ট করে বলুন। নিজেদের পরিচিত তৈরি করুন। নিজেদের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করুন।”

ইতিহাস বলছে, ২০১৯-এর বিধানসভা ভোটের পরে অজিত ‘বিদ্রোহী’ হয়েছিলেন। তাঁর সমর্থন পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবিস। অজিত হন উপমুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এনসিপি পরিষদীয় দলে ভাঙন ধরাতে ব্যর্থ হয়ে ইস্তফা দিতে হয় তাঁদের দু’জনকে। এর পর অজিত আবার শরদের শিবিরে আশ্রয় নেন। তাঁকে শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী করেছিলেন শরদ। কিন্তু ২০২২-এর জুন মাসে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে শিব সেনায় ভাঙন ধরলে মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকারের পতন ঘটে। বিজেপির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন শিন্ডে। এর পর ২০২৩ সালের ২ জুলাই শরদের সঙ্গ ছেড়ে অধিকাংশ এনসিপি বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহী হয়েছিলেন অজিত। শিন্ডের নেতৃত্বাধীন ‘মহাজুটি’ সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রীও হন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিতের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে ‘আসল এনসিপি’ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। শরদ গোষ্ঠীর জন্য নতুন নামও বরাদ্দ করা হয়েছিল। পাশাপাশি সাময়িকভাবে ‘শিঙা বাজানো ব্যক্তি’ প্রতীকও অনুমোদন করে কমিশন। একই সঙ্গে অজিতকে নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোটপ্রচারে কাকার ছবি বা নাম ব্যবহার করতে পারবে না অজিত শিবির।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.