Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Pregnancy Termination Law

‘সম্মানটুকু দিন’, গর্ভপাতের বিরোধিতা করে ‘সুপ্রিম’ তোপে কেন্দ্র, আইন বদলানোর পক্ষে শীর্ষ আদালত

ভারতীয় আইনে ২৪ সপ্তাহের পর গর্ভপাত নিষিদ্ধ, সেই বিষয়টিই তুলে ধরা হয়। কিন্তু কেন্দ্র যেভাবে প্যাঁচালো যুক্তি সাজিয়েছে, তাতেই ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৪:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৪:৫০

options
link
‘সম্মানটুকু দিন’, গর্ভপাতের বিরোধিতা করে ‘সুপ্রিম’ তোপে কেন্দ্র, আইন বদলানোর পক্ষে শীর্ষ আদালত zoom
সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি।
Advertisement

গর্ভপাতের অধিকার সংক্রান্ত আইন নিয়ে কেন্দ্রকে তুলোধোনা করল সুপ্রিম কোর্ট। কতদিন পর্যন্ত গর্ভপাত করানো যায়, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে মহিলাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত, এমনটাই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। মোদি সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের বার্তা, যুগের সঙ্গে আইনকেও বদলাতে হবে। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান দিতে হবে কেন্দ্রকেও। উল্লেখ্য, ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়া এক নাবালিকার গর্ভপাতের মামলার প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য শীর্ষ আদালতের।

১৫ বছরের ওই নাবালিকার গর্ভাবস্থায় ৩১ সপ্তাহ কেটে গিয়েছিল। তারপর গর্ভপাত করাতে চেয়ে আবেদন করে ওই নাবালিকা। আদালত অনুমতি দিলেও তার বিরোধিতা করে কেন্দ্র। যেহেতু ভারতীয় আইনে ২৪ সপ্তাহের পর গর্ভপাত নিষিদ্ধ, সেই বিষয়টিই তুলে ধরা হয়। কিন্তু ১৫ বছর বয়সি নির্যাতিতার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র যেভাবে প্যাঁচালো যুক্তি সাজিয়েছে, তাতেই ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, “যদি ধর্ষণের কারণে কেউ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তাহলে কোনও সময়সীমা থাকাই উচিত নয়।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রধান বিচারপতি বলেন, “ধর্ষণের ফলে ওই নাবালিকা মানসিকভাবে যতখানি বিপর্যস্ত হয়েছে, সেটা কোনওভাবেই মেটানো সম্ভব নয়। কিন্তু তাকে অন্তত সম্মানটুকু দিন ম্যাডাম।” অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটিকে তুলোধোনা করে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “গর্ভপাতের অনুমতি চ্যালেঞ্জ করে আপনাদের তো কোনও লাভ নেই। কেবল নির্যাতিতা বা তার পরিবার এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।” বিচারপতি বাগচির মতে, এই ইস্যুটি নিয়ে অন্তত নাগরিক এবং প্রশাসনের মধ্যে বিভেদ থাকা উচিত নয়।

কেন্দ্রের আইনজীবী ঐশ্বর্য দাবি করেন, ৩১ সপ্তাহে এসে গর্ভপাতের অনুমতি দেয় না এইমস। তাই নির্যাতিতার উচিত সন্তানের জন্ম দিয়ে তাকে দত্তক হিসাবে দান করে দেওয়া। সেই মতামতকে তোপ দেগে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, এইমসে দক্ষ চিকিৎসকরা রয়েছেন, তাঁরা নাবালিকার নিরাপদ অস্ত্রোপচার করাতে পারবেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে কাউকে মা হওয়ার জন্য জোর করা যায় না, স্পষ্ট মত প্রধান বিচারপতির।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.