Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
দেশের নিরাপত্তা

‘সার্জিক্যাল ও এয়ারস্ট্রাইক মানুষকে আনন্দ দিয়েছে’, দাবি অমিত শাহর

দেশের নিরাপত্তার বিষয়ে কোনও সমঝোতা করবে না কেন্দ্র, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৫:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৫:৩৩

options
link
‘সার্জিক্যাল ও এয়ারস্ট্রাইক মানুষকে আনন্দ দিয়েছে’, দাবি অমিত শাহর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সার্জিক্যাল ও এয়ারস্ট্রাইক মানুষকে খুব আনন্দ দিয়েছে বলেই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এআইএমএস)-এর একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে এই মন্তব্যই করেন তিনি। বলেন, ‘সার্জিক্যাল বা এয়ারস্ট্রাইক মানুষকে আনন্দ ও সুখ দিয়েছে। ভারতকে বিশ্বের নজরে এনেছে। তবে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে গেল প্রচুর সাহস লাগে। কারণ, কোনও ছোট্ট ভুল বা হিসাবে গরমিল এই ধরনের ঘটনায় উলটো প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।’

[আরও পড়ুন: রাজস্থানে শক্তি বাড়ল কংগ্রেসের, দলে যোগ দিলেন ৬ বিধায়ক]

এরপরই প্রাক্তন ইউপিএ সরকারের প্রবল সমালোচনা করেন অমিত শাহ। তাদের শাসনকালে নেওয়া হয়েছে এরকম পাঁচটি বড় সিদ্ধান্তের কথা কংগ্রেস উল্লেখ করতে পারবে না বলেও কটাক্ষ করেন। তাঁর কথায়, ‘ওদের সরকার ৩০ বছর কাজ করেছে। কিন্তু, এসময়ে নেওয়া পাঁচটি বড় সিদ্ধান্তের কথাও বলতে পারবে না। সেখানে মোদি সরকার পাঁচ বছরের মধ্যে ৫০টি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা নিয়ে আলোচনা করা যাবে। এর মধ্যে পাকিস্তানের মাটিতে করা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও দেউলিয়া আইনের বাস্তবায়ন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। আসলে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার কোনওদিন মানুষের ক্ষতির জন্য কোনও সিদ্ধান্ত নেয় না। যা করে ভালর জন্য করে। তাদের জন্যই দেশের এক ইঞ্চি জমি কাউকে ছাড়তে রাজি নই আমরা। তাই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো কড়া সিদ্ধান্তও নিতে হয়েছে। আর সার্জিক্যাল ও এয়ারস্ট্রাইকের পর ভারতকে অন্যচোখে দেখতে বাধ্য হয়েছে গোটা বিশ্ব। কারণ, এর আগে আমাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষা নিয়ে কোনও নীতি ছিল না। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর অনেকে আমাকে বলেছিলেন, এটা আকস্মিক একটা ঘটনা। কিন্তু, এয়ারস্ট্রাইকের পর এই ঘটনাকে দেশের নীতি বলেই উল্লেখ করছে তাঁরা। আজ একজন জওয়ান শহিদ হলেও তা আমাদের কাছে বিরাট ক্ষতি। কোনও ভাবেই দেশ ও নাগরিকদের নিরাপত্তার সঙ্গে সমঝোতা’ করবে না সরকার।’

Advertisement

সোমবার বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘এই ঘটনার পর অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। ভেবেছিলেন কী করে এটা হল? গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তারপর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কাশ্মীরে একটি গুলি পর্যন্ত চলেনি। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর শুধু বিজেপি নেতারাই খুশি হয়নি। অন্য রাজনৈতিক দলগুলির অনেক নেতাই এই সিদ্ধান্ত স্বাগত জানিয়েছেন। আজ আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে এই কথা বলতে পারি যে এই সিদ্ধান্ত সফল। কারণ, ৫ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই এলাকায় কোনও মৃত্যু বা গুলি চালানোর ঘটনা ছাড়াই শান্তি বজায় রয়েছে।’

[আরও পড়ুন: বিমানবন্দরেই পড়ে রইল মালপত্র, যাত্রীদের নিয়ে ছুটল ইন্ডিগোর বিমান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.