সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লেখিকা অরুন্ধতী রায়কে নিয়ে মন্তব্য করে টুইটারে বিতর্কের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অভিনেতা-সাংসদ পরেশ রাওয়াল। সে বিতর্কে এবার যোগ দিলেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামীও।
[ প্রতিবেশীর হাতে ধর্ষিতা ২২ মাসের শিশু, চলছে বাঁচার লড়াই ]
কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে মন্তব্য করে পরেশের কোপে পড়েন অরুন্ধতী। লেখিকা জানিয়েছিলেন, সরকার যত সেনাই নিয়োগ করুক না কেন, কাশ্মীর সমস্যা তাতে মিটবে না। এ কথা তিনিই যে এই প্রথম বললেন তা নয়। এর আগেও এই মত উঠে এসেছিল। যতবার কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের প্রসঙ্গ এসেছে ততবারই এ দ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। কিন্তু এ মন্তব্যের জেরেই অরুন্ধতীকে তীব্র কটাক্ষ করেন পরেশ। তিনি ফিরিয়ে আনেন কিছুদিনের আগের স্মৃতি। যেখানে এক সেনা কাশ্মীরি যুবককে জিপের সামনে বেঁধে ঘুরিয়েছিলেন, যাতে পাথর নিক্ষেপকারীরা জিপ লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে না পারে। সে ছবি সামনে আসতে তীব্র সমালোচনাও হয়েছিল। যদিও যে অফিসার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনি এ কাজের জন্য পুরস্কৃত হয়েছে। পরেশের মত ছিল, কাশ্মীরি যুবক নয়, বরং অরুন্ধতীকেই জিপের সামনে বেঁধে ঘোরানো হোক। একধাপ এগিয়ে গায়ক অভিজিৎ বলেছিলেন, পাশাপাশি গুলি করেও মারা উচিত এদের।
[ ‘পাথর নিক্ষেপকারীকে নয়, অরুন্ধতী রায়কে বাঁধা হোক জিপের সামনে’ ]
এই বিতর্কেই এবার যোগ দিলেন স্বামী। তাঁর মত, অরুন্ধতীকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে দ্বিধা করবে না নিক্ষেপকারীরা। কেননা কোনও বিদ্রোহী যুবককে জিপে বেঁধে রাখলে, পাথর নিক্ষেপকারীরা তাদের নেতার দিকে পাথর ছুড়বে না। কিন্তু অরুন্ধতী বাঁধা থাকলে, নিক্ষেপকারীর ভাববে, যে মহিলা তাঁর নিজের দেশের প্রতিই বিশ্বস্ত নন, তাঁকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়লে কিছু যায় আসে না। সংবাদ সংস্থা এঅনআই-কে এ কথা জানিয়ে স্বামী অবশ্য বলেছেন, এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। কেননা অরুন্ধতীকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ায় বিজেপির কোনও আগ্রহ নেই।
[ দেশের ৯০০ টি শহরে পালিত হবে ‘মোদি ফেস্ট’ ]
সর্বশেষ খবর
-
ফের চলল বুলডোজার, শহরের বেআইনি গুমটি-দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হল হাওড়ায়!
-
কয়েকমাসেই লক্ষ চাকরি, সরকারি গ্যারান্টিতে লোন, কর্মসংস্থানে ‘ত্রিশক্তি’ শুভেন্দুর
-
ইংল্যান্ডের এ কী হাল! সাউদাম্পটনের ট্রাফিকে আটকে ভারতীয় দল, পিছিয়ে দিতে হল টস
-
লাল ফিতের জট কাটাতে জমি নীতি বদল! শুভেন্দুর হাতে শুরু বাংলার শিল্পযুগ
-
আমুলের সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে না, নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে অপেক্ষা বাড়ল ইস্টবেঙ্গলের