Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Swiggy Platform Fee Increased

খাদ্যরসিকদের মাথায় হাত! জোম্যাটোর পর এবার সুইগিতেও খাবার অর্ডার দিতে বাড়বে খরচ

গ্রাহকরা অনেকদিন ধরেই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চলেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৬, ১৫:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
খাদ্যরসিকদের মাথায় হাত! জোম্যাটোর পর এবার সুইগিতেও খাবার অর্ডার দিতে বাড়বে খরচ zoom
আগের থেকে ২.৫৯ টাকা বেশি দিতে হবে অর্ডার পিছু।
Advertisement

ইরান যুদ্ধের ছায়া এদেশের আমজনতার অন্দরমহলে আগেই পড়েছে। অর্ডার কমেছে ফুড ডেলিভারি সংস্থাগুলিরও। এহেন অবস্থায় জোম্যাটো আগেই প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়িয়েছিল। এবার সেই পথে হাঁটল সুইগিও। জানা গিয়েছে, ১৪.৯৯ টাকা থেকে খরচ বেড়ে হবে ১৭.৫৮ টাকা। অর্থাৎ আগের থেকে ২.৫৯ টাকা বেশি দিতে হবে অর্ডার পিছু।

কী এই প্ল্যাটফর্ম ফি? সহজে বললে এটাই প্রতি অর্ডারের একটি নির্দিষ্ট চার্জ যা ডেলিভারির স্থানের দূরত্ব কিংবা অর্ডারের সাইজের উপরে কোনওভাবেই নির্ভরশীল নয়। বিল ব্রেকডাউনের দিকে তাকালেই গ্রাহকরা বুঝতে পারবেন প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়ানোর বিষয়টি। ইতিমধ্যেই বহু শহরে সুইগির এই বর্ধিত খরচ নেওয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

গত সপ্তাহেই প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়িয়েছিল জোম্যাটো। অর্ডার পিছু প্ল্যাটফর্ম ফি এতদিন ছিল ১২ টাকা ৫০ পয়সা। যা এবার বেড়ে হয়েছে ১৪ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ অর্ডার পিছু ২টাকা ৪০ পয়সা খরচ বেড়েছিল। বলে রাখা ভালো, এর আগে সেপ্টেম্বরে শেষবার বেড়েছিল জোম্যাটোয় ডেলিভারি করার খরচ।

এদিকে অনলাইনে খাবার ডেলিভারির প্ল্যাটফর্মে ক্রমশই বাড়ছে প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি র‍্যাপিডোও তাদের নিজস্ব ফুড ডেলিভারি পরিষেবা শুরু করেছে। এবং এখনও পর্যন্ত তারা কোনও অতিরিক্ত চার্জ বা ফি নিচ্ছে না। মনে করা হচ্ছে, তাদের এই পদক্ষেপ জোম্যাটো, সুইগির মতো শীর্ষস্থানীয় ফুড ডেলিভারি সংস্থার উপরে চাপ বাড়াচ্ছে। আসলে গ্রাহকরা অনেকদিন ধরেই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চলেছেন। তবুও এই পরিস্থিতিতে প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়াল জোম্যাটো, সুইগি। কেননা এর ফলে গ্রাহকদের বিল আরও মহার্ঘ হতে চলেছে।

এদিকে যুদ্ধের বাজারে অর্ডারের সংখ্যা কমছে বলে দাবি ডেলিভারি কর্মীদের। সব ডেলিভারি সংস্থার গিগ কর্মীরাই জানাচ্ছেন, যেভাবে একলাফে অর্ডারের সংখ্যা কমছে তাতে তাঁদের জীবিকা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। আসলে ইরান সংঘাতে এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়াতেই সব সমস্যার সূত্রপাত। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.