২৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শহুরে নকশাল, কাশ্মীরে সক্রিয় জেহাদিদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব‌্যবস্থা নিতে সিআরপিএফকে নির্দেশ দিলেন অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার আধাসেনার কর্তাদের বলেছেন, ‘কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে, ভারতের শহরগুলিতে মাওবাদী ও নকশাল সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের এবং মাও ক‌্যাডারদের দমনে উপযুক্ত, কার্যকরী পদক্ষেপ নিন। এখন সময় এসেছে আরবান নকশালদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত, কঠোর পদক্ষেপ করার।’

এদিন লোধি রোডে সিজিও কমপ্লেকসে সিআরপিএফ কর্তাদের সঙ্গে দু’ ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন শাহ। সেখানে অনেক জরুরি বিষয় আলোচনা হয়েছে। মাও সন্ত্রাস, আরবান নকশাল তথা শহুরে উগ্রবামদের কাজকর্ম খতম করতে পরিকল্পনামাফিক ব‌্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাহ। সিআরপিএফকে তিনি বলেছেন, এই দুটি সমস‌্যা অনেকটাই ইন্টেলিজেন্স বা গোয়েন্দা তথ‌্য নির্ভর। তাই আগামী ছয় মাসের লক্ষ‌্যমাত্রা নিয়ে সিআরপিএফকে কার্যকরী ব‌্যবস্থা নিতে হবে। এদিন তিনি জম্মু ও কাশ্মীরে নবগঠিত দুটি কেন্দ্রশাসিত এলাকার নিরাপত্তা ব‌্যবস্থা পর্যালোচনা করেন।

অন‌্যদিকে, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন‌্য পাকিস্তানকে কড়া শর্ত দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। সম্প্রতি ফ্রান্সে পিস ফোরাম নামে এক সংগঠনের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন। সেখানে তিনি একটি পত্রিকাকে সাক্ষাৎকার দেন। ওই সাক্ষাৎকারে খুব ঠান্ডা মাথায় দৃঢ়ভাবে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘‘পাকিস্তান সত্যি যদি আমাদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক চায় তাহলে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদী নেতাদের আমাদের হাতে পত্রপাঠ তুলে দিক। দাউদ ইব্রাহিম, লস্কর ই তইবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদ, জইশ ই মহম্মদের মাসুদ আজহারকে কেন এরা আশ্রয় দিয়েছে? আমাদের হাতে তুলে দিচ্ছে না কেন? এই চ‌্যালেঞ্জ ও অনুরোধ ওদের বহুবার করা হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান সাড়া দেয়নি।’’

জয়শংকর বলেন, “আমাকে একটা প্রশ্নের জবাব দিন। যে দেশ প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে ইচ্ছুক, সে খোলাখুলি সেই দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয় কেন?” প্যারিসে আয়োজিত ইউনেসকোর মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধি অনন্যা আগরওয়াল বলেন, “পাকিস্তান নিজের দোষেই একটা ব্যর্থ দেশে পরিণত হয়েছে। দেশের অর্থনীতি তলানিতে। সামাজিক অবক্ষয়ের চূড়ান্ত। কারণ সন্ত্রাসবাদ এদের মজ্জায় ঢুকে গিয়েছে। তারা আবার কাশ্মীর নিয়ে কথা বলছে?” ওয়াশিংটনে মানবাধিকার বিষয়ক মার্কিন কংগ্রেসের সভায় ভারতীয় সাংবাদিক সুনন্দা বশিষ্ঠ বলেছেন, ‘‘নয়ের দশকে যখন পাকিস্তান মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীরা জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করা শুরু করেছিল, তখন প্রায় চার লক্ষ কাশ্মীরি হিন্দুকে উপত্যকা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। তখন কেন সবাই নীরব ছিলেন?’’

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ইন্টারনেট চালুর কথা বলে হাসির খোরাক পাকিস্তানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং