BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বেড়াতে এসে লকডাউনে বিপাকে রুশ দম্পতি, পুলিশের তৎপরতায় পাহাড়ের চূড়া থেকে উদ্ধার

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 20, 2020 12:37 pm|    Updated: April 20, 2020 12:37 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতে বেড়াতে এসে লকডাউনের ফলে আটকে পড়েন রুশ দম্পতি। টাকাপয়সাও শেষ হয়ে যায় তাঁদের। তবে বিপদের দিনে ত্রাতা হয়ে দাঁড়াল পুলিশ। ড্রোন উড়িয়ে তল্লাশি চালানোর সময় তিরুভান্নামালাই পর্বত থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে কথা বলে পুলিশই তাঁদের খাওয়াদাওয়ার বন্দোবস্ত করে দিয়েছে। হোটেলে থাকার ব্যবস্থাও করেছে পুলিশ।

ভারতের নানা গল্প শুনেছিলেন তাঁরা। তা দেখে সাধ জেগেছিল দেশ ঘুরে দেখার। সেই অনুযায়ী লকডাউনের ঠিক আগে ভারতে পাড়ি দিয়েছিলেন রুশ দম্পতি ভিক্টর এবং তাতিয়ানা। তামিলনাড়ুর তিরুভান্নামালাই পাহাড়ে এসেছিলেন তাঁরা। কিন্তু তারপর ঘটল বিপদ। করোনা সংক্রমণের চোখরাঙানিতে বাধ্য হয়ে আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবা বন্ধ করে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার ফলে আর নিজের দেশে ফিরে যেতে পারেননি তাঁরা। এদিকে, হাতে যে সামান্য টাকাপয়সা ছিল তাও প্রায় শেষ। পাচ্ছিলেন না খাবারদাবার। বাধ্য হয়ে হোটেল ছেড়ে দিয়েছেন তাঁরা। তিরুভান্নামালাই পর্বতেই চড়তে শুরু করেন দু’জনে। স্থির করেন একেবারে পর্বতের শিখরে উঠে ধ্যান করতে বসবেন।

[আরও পড়ুন: লকডাউনে হোটেল -পরিবহণে ছাড় কেরলের, ক্ষোভপ্রকাশ করে চিঠি দিল কেন্দ্র]

কিন্তু পুলিশের দৌলতে দম্পতির ভাবনা সফল হল না। কারণ, কোথাও কোনও জমায়েত রয়েছে কি না, তা জানতে মাঝেমধ্যেই ড্রোন উড়িয়ে তল্লাশি অভিযান জারি রেখেছিল তামিলনাড়ু পুলিশ। তিরুভান্নামালাই পর্বতের উপর দিয়ে ড্রোন যাওয়ার সময় দেখা যায় ওই রুশ দম্পতিকে। পুলিশ তড়িঘড়ি পাহাড়ের কাছে যায়। ওই রুশ দম্পতিকে পাহাড় থেকে নামানোর বন্দোবস্ত করা হয়। ২৯ বছর বয়সি ভিক্টর এবং বছর আঠাশের তাতিয়ানা পাহাড় থেকে নেমে আসেন। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পুলিশকে জানান তাঁরা। টাকাপয়সা না থাকায় খাবার পাচ্ছেন না। এমনকী, হোটেলেও থাকতে পারছেন না বলেও জানান তাঁরা।

তিরুভান্নামালাইয়ের পুলিশ সুপার সিবি চক্রবর্তী বলেন, “ড্রোন উড়িয়ে পাহাড়ের উপর তল্লাশি চালানোর সময়ই দম্পতিদের দেখা যায়। তাঁরা তিন থেকে চারটি ধাপ উঠে গিয়েছিলেন। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চূড়ায় বসে ধ্যান করবেন। আমরা জানতে পারি তাঁদের কাছে টাকাপয়সা আর নেই। তাই সঙ্গে সঙ্গে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরাই তাঁদের জন্য খাবারের বন্দোবস্ত করে দেয়। একটি হোটেল মালিকের সঙ্গে কথা বলে লকডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের থাকার ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement