হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: উত্তরপ্রদেশে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এই বিপুল চাহিদা পূরণের জন্য রাজ্যের পর্যটন এবং হসপিটালিটি ক্ষেত্রে বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরণ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে তিনি টাটা গ্রুপের হোটেল চেনগুলি সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। তিনি জানান, রাজ্যে পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পর্যটনের উত্থান এবং উন্নত কানেক্টিভিটির সামগ্রিক উন্নয়নের কথা মাথায় রেখেই টাটা গ্রুপ এই উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে উত্তরপ্রদেশে বিশ্বমানের আতিথেয়তার সুবিধা দ্রুত বাড়বে।
চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরণ নিশ্চিত করেছেন যে, টাটা গ্রুপের মর্যাদাপূর্ণ ব্র্যান্ড যেমন তাজ, সিলেকশনস এবং ভিভান্টা-এর অধীনে ইতিমধ্যেই ৩০টি হোটেলের নির্মাণ কাজ রাজ্যে চলছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে এই প্রকল্পগুলির অগ্রগতি রিপোর্টও দিয়েছেন।
এছাড়াও, পর্যটন ও প্রিমিয়াম মানের আতিথেয়তা বাড়ানোর জন্য নতুন করে আরও ৩০টি হোটেল তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এ দিন। এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশে বিলাসবহুল হোটেলের কক্ষ সংখ্যা ২,০০০ থেকে বেড়ে প্রায় ৫,০০০ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, এই হোটেলগুলি প্রয়াগরাজ, অযোধ্যা, বারাণসী, বৃন্দাবন, আগ্রা, কানপুর, লখনউ, বিজনোর এবং গোরখপুরের মতো দ্রুত বেড়ে ওঠা ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে গড়ে উঠবে। নয়ডায় একটি সিগনেচার বা ল্যান্ডমার্ক হোটেল এবং প্রয়াগরাজে একটি বিলাসবহুল তাজ হোটেলের নির্মাণ কাজ চলছে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় উত্তরপ্রদেশ আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে শক্তিশালী স্থান করে নিয়েছে। রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রে টাটা গ্রুপের এই অংশগ্রহণ উত্তরপ্রদেশকে দেশের অন্যতম শীর্ষ আতিথেয়তা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।
সর্বশেষ খবর
-
প্রেমিকার সঙ্গে মোমো ডেট! হাতেনাতে ধরতে সটান স্বামীর গাড়ির বনেটে স্ত্রী, তারপর যা হল…
-
ভারতের সঙ্গে ব্রাজিলের নির্বাচন গুলিয়ে ফেললেন ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘ভীমরতি’তে হাসির রোল
-
‘১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসুন’, দল ভাঙার পরও ‘গদ্দার’দের জন্য দরজা খোলা মমতার!
-
টিম ইন্ডিয়ায় ব্রাত্য! এবার অন্য ভারতীয় দলে এন্ট্রি ভুবনেশ্বরের, এই টুর্নামেন্টে দেবেন নেতৃত্ব
-
‘ভোটে লড়তে দিন’, সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান