Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬

অন্যের জমিতে শৌচ, ‘ট্যাক্স’ দিয়ে রেহাই দলিত মহিলাদের

ছবি করমুক্ত, অথচ মহিলাদের দিতে হচ্ছে কর?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৭, ১১:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৭, ১১:১৯

options
link
অন্যের জমিতে শৌচ, ‘ট্যাক্স’ দিয়ে রেহাই দলিত মহিলাদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকাশ্যে শৌচ বন্ধ করতে সরকারের উদ্যোগের শেষ নেই। কিন্তু যাঁদের সংস্থান নেই তাঁরা কী করবেন? সরকারি যোজনার সুফল কি পৌঁছচ্ছে সমাজের সর্বস্তরে? এ প্রশ্ন যখন ঘোরাঘুরি করছে, তখনই  প্রকাশ্যে এল আরও এক ঘটনা। যেখানে অন্যের জমিতে শৌচ করার জন্য ‘ট্যাক্স’ দিতে হল উত্তরপ্রদেশের দলিত মহিলাদের।

‘চিকেন’ খাওয়ার জন্য ৭ দিনের ছুটির আরজি রেলকর্মীর ]

Advertisement

ঘটনা উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার ভুজনপূর্বা গ্রামের। কাজের সূত্রেই সেখানে থাকেন বহু দলিত পরিবার। প্রত্যেকেই মজদুর। না আছে থাকার নির্দিষ্ট বাসস্থান, না আছে শৌচালয়। এমনকি নিজেদের জমিজমা বলে কিছুই নেই। ফলে নিত্যকর্মের জন্য অন্যের জমি ছাড়া গতি নেই। পুরুষরা অন্যত্র ব্যবস্থা করে নিলেও মহিলাদেরই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর সেখানেই ধার্য হচ্ছে বিশেষ ‘কর’। যে মালিকের জমিতে শৌচ করছেন মহিলারা, সেই মালিকই তাঁদের থেকে কর নিচ্ছেন। জানা যাচ্ছে, এ জিনিস আজকের নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই দলিত মহিলাদের এরকম নিগ্রহের শিকার হতে হয়। নিজেদের জমি না থাকায় শৌচালয় তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া প্রয়োজনীয় অর্থও নেই। ফলে ঘোর বিপাকে ওই মহিলারা। ঠিক যেভাবে সুলভ শৌচালয়ে অর্থ দিতে হয় সেভাবে প্রকাশ্যে শৌচের ক্ষেত্রেই দিতে হচ্ছে এই ট্যাক্স।

আর্থিক সাহায্য চেয়ে ফেসবুকে যৌনকর্মীর তকমা জুটল এই ছাত্রীর ]

যদিও এ নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হলে জানানো হয়, এরকম কোনও অভিযোগ তাঁরা পাননি। যদিও পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় তবে তার যথাবিহিত শাস্তিও হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনা যেন শৌচমুক্ত ভারত গড়ার পরিকল্পনাকেই প্রশ্নের মুখে তুলে দিল। সরকারি সুবিধা পেলে মহিলাদের এরকম হেনস্তার মুখে পড়তে হত না। অন্যদিকে দলিত ও মজদুর শ্রেণির মহিলাদের অসহায়তাকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির মানুষ রীতিমতো ব্যবসা শুরু করেছে। যেখানে প্রকাশ্যে শৌচ বন্ধের জন্য সর্বসাধারণকে উদ্যোগী হওয়ার ডাক দিয়েছে প্রশাসন, সেখানে এই শ্রেণির মানুষরাই মুনাফার লোভে সে কাজ পিছিয়ে দিচ্ছে। একদিকে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের প্রচার চালানোয় হিন্দি ছবিকে করমুক্ত করা হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থের অভাবে শৌচালয় তৈরি করতে না পেরে কর দিয়ে রেহাই পেতে হচ্ছে দলিত মহিলাদের। সিনেমা নয়,  এই দুই বিপরীত ছবিই যেন স্বচ্ছ ভারত অভিযানের প্রকৃত বাস্তবতাকে তুলে ধরছে।

হিন্দু রোগী এলেই খুন করব, হুমকি এই ডাক্তারের  ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.