সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোথা থেকে আসছে অশান্তি ছড়ানোর জন্য এত টাকা? প্রশ্ন উঠেছে বারবার। জম্মু-কাশ্মীরে অশান্তি ও সন্ত্রাসের বাতাবরণ বজায় রাখতে যে অর্থ আসছে, তার উৎস সন্ধানে তল্লাশিতে নামল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। মঙ্গলবার এনআইএ জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা, হান্ডওয়ারা ও শ্রীনগরের মোট ১২টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়।
[স্বাধীনতা দিবসের উপহার, মিলবে ৮৪,৮৭৬ নয়া চাকরি]
কাশ্মীরের হুরিয়ত নেতাদের সাহায্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলি বারবারই অশান্তিতে ইন্ধন যোগাচ্ছে। সৈয়দ আলি শাহ গিলানি-সহ অন্যান্য হুরিয়ত নেতাদের থেকে কারা আর্থিক সাহায্য পাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতেই এই তল্লাশি। রিপোর্টে বলছে, জম্মু কাশ্মীরের যে সমস্ত এলাকা থেকে পাক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে অর্থ সরবারহের কাজ করা হয়, সেখানেই তল্লাশি করে এনআইএ। সেই সঙ্গে জাহুর ওয়াটালি নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি করা হয়। ওয়াটালির সঙ্গে বেশ কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে বলে সুনির্দিষ্টি তথ্য প্রমাণ রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে। ওই ব্যবসায়ীর পাশাপাশি সাফি ঋষি নামে এক আইনজীবী এবং পীরজাদা নবী নামে আরও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়।
[স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই শহর যা করে দেখাল, জানলে আপনি গর্বিত হবেন!]
পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে ২৪ জুলাই জম্মু কাশ্মীরের ৭ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা হল নইম খান, ফারুক আহমেদ দার, আলতাফ আহমেদ শাহ, সহিদ-উল-ইসলাম, আয়াজ আকবর, পীর সইফুল্লা এবং রাজা মেহরাজউদ্দিন কালওয়াল। গত ৩০ মে ওই ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠির সঙ্গে যোগাযোগ এবং তাদের অর্থ সাহায্যের অভিযোগেই ওই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তরফে।
সর্বশেষ খবর
-
দলে আর জায়গা নেই, জানিয়ে দিয়েছে বোর্ড! রবিবারই শেষ ওয়ানডে খেলবেন রোহিত?
-
দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা
-
ঋত-তৃণমূলে এবার ব্রাত্যও? ঘাসফুল শিবিরে ভাঙনের মরশুমে তুঙ্গে জল্পনা
-
ফুলবাগানের মন্দির তহবিল থেকে ‘চুরি’ ৪৪ লক্ষ, অভিযোগ দায়ের কমিটির
-
আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাস করতে গিয়ে মৃত্যু! বাংলাদেশে মর্মান্তিক পরিণতি তরুণের