Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

মায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদে ইতি কাশ্মীরি যুবকের

মায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে হাতে তুলে নেওয়া বন্দুক নামিয়ে রাখলেন বছর ছাব্বিশের কাশ্মীরি যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৬, ২১:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৬, ২১:১০

options
link
মায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদে ইতি কাশ্মীরি যুবকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাতৃস্নেহ বড় বিষম বস্তু। যে কোনও মৌলবাদী মগজধোলাইও মায়ের একান্ত আর্তির সামনে মাথা নত করতে বাধ্য হয়। তারই প্রমাণ মিলল কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী যুবকের আত্মসমর্পণে। মায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে হাতে তুলে নেওয়া বন্দুক নামিয়ে রাখলেন বছর ছাব্বিশের এক কাশ্মীরি যুবক।

বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর গোপন ইন্ধনে কাশ্মীরে বহু যুবকই চরমপন্থা বেছে নিচ্ছে। বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর কাশ্মীর যে উত্তাল হয়েছে তার পিছনে আছে এই যুব সম্প্রদায়। মুখ্যমন্ত্রী বারবার তাঁদের জীবনের মূলস্রোতে ফেরার অনুরোধ করেছেন। তবে প্রশাসনের অনুরোধ যা পারল না, তাই সম্ভব করে তুলল মায়ের স্নেহ। মায়ের ডাকেই উত্তর কাশ্মীরের তুজ্জারের বাসিন্দা উমাক খালিক মীর ওরফে সমীর ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। জানা যাচ্ছে, এ বছরের মে মাসে উমাক খালিক লস্কর জঙ্গিদের দলে যোগ দেন।জঙ্গিদের খোঁজে সেনা অভিযান চলাকালীন উমাকের গোপন ঘাঁটি ঘিরে ফেলে সেনা। আত্মসমপর্ণ করার আবেদন জানানো হলেও কর্ণপাত করেননি উমাক। শেষমেশ উমাক-সহ অন্যান্য জঙ্গিদের মা বাবার দ্বারস্থ হয় সেনা। অপরাধ জগত থেকে যুবসম্প্রদায়কে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে এভাবেই ‘মাতৃস্নেহ’ কে কাজে লাগানোর প্রয়াস সাফল্যও পেল। সেনা আধিকারিকদের অনুরোধে উমাকের মা রাজি হন এবং সোপরের গোপন ঘাঁটিতে ঢুকে ছেলেকে অস্ত্র ছাড়ার জন্য মিনতি করেন। মায়ের ডাক ফেলতে পারেননি উমাক।  শেষমেশ বহু চেষ্টা ও অনুরোধের পর মায়ের সঙ্গে ঘরের বাইরে এসে সেনাদের হাতে তুলে দেন হাতের আগ্নেয়াস্ত্র।

Advertisement

কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর ক্ষেত্রে উমাকের ঘটনা যে নজির হয়ে থাকবে, তা বলাই বাহুল্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.