Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Thalapathy Vijay

ইন্ডিয়া জোটে ভাঙন! স্ট্যালিনকে ছেড়ে বিজয়ের হাত ধরবেন রাহুল? ‘সবুজ সংকেত’ থলপতিরও

দল গড়েই তামিলনাড়ুতে বেশ সাড়া ফেলেছেন বিজয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২০:৪৬

options
link
ইন্ডিয়া জোটে ভাঙন! স্ট্যালিনকে ছেড়ে বিজয়ের হাত ধরবেন রাহুল? ‘সবুজ সংকেত’ থলপতিরও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথমে মনে হয়েছিল ছোটখাট অসন্তোষ! কিন্তু সেটা আসলে অসন্তোষের স্ফুলিঙ্গ। যত দিন যাচ্ছে ততই যেন চওড়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে-কংগ্রেসের অন্দরের ফাটল। এখন যা পরিস্থিতি তাতে স্ট্যালিনের সঙ্গ ছেড়ে অভিনেতা থলপতি বিজয়ের নতুন দল টিভিকে-র সঙ্গেও জোটের কথা ভাবা শুরু করেছে হাত শিবির।

এতদিন দেশের অন্য প্রান্তে ইন্ডিয়া জোটে ছোটখাট বিবাদ-অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হলেও তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস-ডিএমকে জোট গত কয়েক বছর মসৃণভাবেই এগিয়েছে। এবার সেই মসৃণতা যেন কোথাও গিয়ে ধাক্কা খেল। একাধিক কংগ্রেস নেতা ডিএমকেতে ক্ষুব্ধ। ক্ষোভের মূল কারণ, অসম্মান। তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস এবং ডিএমকের জোট যতই মসৃণ হোক, রাজ্য রাজনীতিতে কংগ্রেসকে সেভাবে গুরুত্ব দেয় না ডিএমকে। লোকসভায় ৩৯ আসনের মধ্যে কংগ্রেসের জন্য ৯ আসন ছাড়া হলেও বিধানসভায় সে তুলনায় অনেক কম আসন ছাড়া হয়। এমনকী, সে রাজ্যে ডিএমকে কংগ্রেস জোট ক্ষমতায় থাকলেও সরকারে কংগ্রেসের কোনও অংশিদারিত্ব নেই। ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় এই মুহূর্তে ডিএমকের দখলে ১৩৩ আসন। কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১৮। অথচ মন্ত্রিসভায় কংগ্রেসের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই।

Advertisement

এ বছর কংগ্রেস ডিএমকের থেকে অন্তত ৪০ আসন দাবি করেছিল। সেখানে ডিএমকে কোনওভাবেই ৩২ আসনের বেশি ছাড়তে রাজি নয়। কংগ্রেস কোনওভাবেই ৩৮ আসনের নিচে নামবে না। আবার স্ট্যালিনও অনড়। শুধু তাই নয়, সরকারে অংশিদারিত্বের যে দাবি কংগ্রেস করছে, সেটাও খারিজ করে দিচ্ছে ডিএমকে। ফলে স্থানীয় কংগ্রেস নেতারা এতটাই ক্ষুব্ধ যে তাঁরা অন্য বিকল্প নিয়ে ভাবা শুরু করেছেন। আর সেই ভাবনাতে প্রথমেই উঠে আসছে থলপতি বিজয়ের নাম।

সদ্যই তামিলনাড়ুতে নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করেছেন সুপারস্টার বিজয়। শুরুতে বেশ সাড়াও ফেলেছেন। ঘোষণা করেছেন, শরিকদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগ করে নিতে কোনও আপত্তি নেই তাঁর। তিনি আবার ঘোষণা করেছেন, কংগ্রেস টিভিকের স্বাভাবিক মিত্র হতে পারে। টিভিকে মুখপাত্র ফেলিক্স জেরাল্ড বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী এবং বিজয় বন্ধু। তাঁরাই আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।’’ বহিষ্কৃত দুই এআইএডিএমকে নেতা- প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও পনিরসেলভম এবং প্রয়াত জয়ললিতার বান্ধবী শশীকলার ভাইপো টিটিভি দিনাকরণও টিভিকে-তে যোগ দিতে পারেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে বিজয়ের জোট ভালোরকম শক্তিশালী হতে পারে। আর তাতে যদি কংগ্রেস যোগ দেয়, তাহলে সেটা স্ট্যালিনের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

যদিও কংগ্রেসের পক্ষে স্ট্যালিনের হাত ছাড়াটা অত সহজ ব্যাপার নয়। রাহুল গান্ধী এবং স্ট্যালিনের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। ফলে ডিএমকে-কংগ্রেসের জোট ভাঙা কঠিন। তাহলে কি বিজয়ের নাম ভাসিয়ে কংগ্রেস আসনরফায় নিজেদের দর খানিকটা বাড়িয়ে নিতে চাইছে? সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.