সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধীর আনা অভিযোগের কোনও সত্যতা নেই। তা আগেই জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের আনা এক মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নভেম্বর মাসেই এই রায় দিয়েছিল বিচারপতি জেএস খেহর ও অরুণ মিশ্রর বেঞ্চ।
বুধবার কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী দাবি করেন, সাহারা শিল্প গোষ্ঠীর কাছ থেকে ৯ বার টাকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নরেন্দ্র মোদী সাহারা গোষ্ঠী টাকা নেন বলে তিনি অভিযোগ করেন তিনি। শুধু সাহারা গোষ্ঠী নয়, আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর থেকেও নাকি মোদি বিপুল অংকের টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন রাহুল। সেই সূত্র ধরেই এই তথ্য সামনে আসে।
জানা গিয়েছে, রাজনীতিবিদ ও কর্পোরেট হাউসগুলির মধ্যে বেআইনি অর্থ লেনদেনের বিরুদ্ধে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন প্রশান্ত ভূষণ। তাতে একাধিক রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে কর্পোরেট সংস্থাগুলির থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর নামও ছিল। সেই মামলার শুনানি ছিল নভেম্বর মাসে। যার পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করতে গিয়ে বিচারপতি খেহর বলেন, যে নথিপত্রের উপর ভিত্তি করে ভূষণ অভিযোগ জানিয়েছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এক দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থার নথির মূল্য শীর্ষ আদালতের কাছে শূন্য। যে কেউ কোনও কাগজে প্রধানমন্ত্রীর নাম লিখে দিতেই পারে। তাতে কিছু প্রমাণিত হয় না। পরে ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখ ফের এই মামলার শুনানি শুরু হলে প্রশান্ত ভূষণ বিচারপতি কেহরের এই মামলার বিচারের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। যার জেরে জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানি স্থগিত রাখা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ