Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

জানেন, কেন ‘নেশন ওয়ান্টস টু নো’ বলা শুরু করেছিলেন অর্ণব?

কবে প্রথম কথাটি বলেছিলেন তিনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৭, ০৭:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৭, ০৭:২৯

options
link
জানেন, কেন ‘নেশন ওয়ান্টস টু নো’ বলা শুরু করেছিলেন অর্ণব? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘নেশন ওয়ান্টস টু নো।’ এ কথা বললেই দর্শকদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটাই মুখ। সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্পাদক ও সঞ্চালক অর্ণব গোস্বামী। তাঁর এই উক্তি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে বিজ্ঞাপনেও সংলাপটি ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল। এবার অর্ণব নিজেই জানালেন ঠিক কবে প্রথম তিনি এই কথাটি ব্যবহার করেছিলেন। কেনই বা একথা বলেছিলেন তিনি।

[প্রথমবার ১০ হাজারের শৃঙ্গে নিফটি, সেনসেক্সের উত্থান জারি]

অতীতে তিনি যে চ্যানেলে কর্মরত ছিলেন সেখানে অতিথিদের নিয়ে শো করতেন অর্ণব। সংবাদের শিরোনামে উঠে আসা বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনায় বসেন অর্ণব। তবে সম্প্রতি একটি রেডিও স্টেশনে তিনি নিজেই ছিলেন অতিথির ভূমিকায়। হাসিখুশি মনখোলা স্বভাবের এই অর্ণবের সঙ্গে তাঁর নিজের শোয়ের সঞ্চালকের ভূমিকায় বসা অর্ণবের কোনও সাদৃশ্য নেই বললেই চলে। সেখানেই তিনি জানালেন, কবে প্রথম ‘নেশন ওয়ান্টস টু নো’ কথাটি ব্যবহার করেছিলেন তিনি। অর্ণব বলেন, একবার এআইএফএফ সভাপতি প্রফুল প্যাটেল তাঁর শোয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। অর্ণব তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি সেই প্রশ্ন একাধিকবার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তখনই অর্ণব বলেন, সভাপতির থেকে গোটা দেশ এর উত্তর জানতে চাইছে। তাই তাঁদের স্বার্থে প্যাটেলের উচিত এর জবাব দেওয়া। অর্ণব বলছেন, “আমি নিজেকে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি বলে মনে করি। আমার মনে হয়, যে প্রশ্নগুলি আমি করি সেগুলিই সাধারণ মানুষ করতে চান। তাই অর্ণব এই প্রশ্নের উত্তর চায় বললে অনেকেই বলতে পারেন, কে অর্ণব? তাকে কেন কৈফিয়ত দেব? সেই কারণেই দেশবাসীর তরফে জানতে চেয়েছিলাম। প্রথমবার বলার পরই মনে হল, আলোচনায় এই কথাটি ব্যবহার করা যেতেই পারে। তারপরই আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পায় কথাটি। এখন তো সংলাপে পরিণত হয়েছে। একবার এক ব্যক্তি আবার আমাকেই ‘নেশন ওয়ান্টস টু নো’ লেখা ও আমার ছবি দেওয়া টি-শার্ট বিক্রি করতে এসেছিলেন। দেখে বেশ মজা হয়েছিল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ডোকলাম নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন, চিনা প্রেসিডেন্টকে মোদির শুভেচ্ছায় জল্পনা]

তবে ‘নেশন ওয়ান্টস টু নো’ উক্তিটি নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। অর্ণবের পূর্বতন টিভি চ্যানেলের তরফে দাবি করা হয়েছিল, সংলাপটি তাদের। অর্ণব কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করেছেন। ফলে জনপ্রিয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়। রেডিও স্টেশনের আরজে’রা সে প্রসঙ্গও এড়িয়ে যাননি। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, সংলাপটির কি সত্যিই কপিরাইট আছে? হ্যাঁ-না উত্তরে না গিয়ে বুদ্ধিমান অর্ণব হেসেই সে প্রশ্ন উড়িয়ে দিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.