৩১ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ১৭ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, চেন্নাই: চন্দ্রের অ্যান্টেনায় ভর করে চন্দ্রমুখী ইসরোর চন্দ্রযান ২৷ কী, হেঁয়ালি মনে হল? তাহলে খোলাখুলিই বলা যাক৷ ভারত মহাকাশ গবেষণায় এমন এক মাইলফলক তৈরি করতে যাচ্ছে, আর তাতে বাঙালি থাকবে না, তা কি হয়? কখনওই না৷ ফলে চন্দ্রযান ২ অভিযানেও স্বমহিমায় রয়েছেন বাঙালি বিজ্ঞানী, নিজস্ব সৃষ্টিকর্ম নিয়ে৷ চাঁদকে ঘিরেই যাঁর নাম – তিনি হুগলির চন্দ্রকান্ত কুমার৷

[আরও পড়ুন: জল থইথই বিহার, পালকি-গাড়ি ছেড়ে এভাবেই শ্বশুরবাড়ি যাত্রা নববধূর]

হুগলির শিবপুরের বাসিন্দা চন্দ্রকান্ত কুমার ধনেখালি হাই স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন কলেজে ভরতি হন ফিজিক্স নিয়ে৷ তারপর রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ থেকে এমএসসি ও পিএইচডি৷ ২০০১ সালে ইসরোর চাকরিতে যোগদান৷ তখন কি আর বুঝেছিলেন যে দেশের জন্য এমন এক গুরুভার তাঁর কাঁধে অর্পিত হবে? মোটেই না৷ ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযান থেকেই তিনি জুড়ে গিয়েছেন এর সঙ্গে৷ তাঁর তৈরি অ্যান্টেনার উপর ভর করেই চন্দ্রমুখী হবে চন্দ্রযান ২৷ ইসরোর যে কোনও মহাকাশযানের এই অ্যান্টেনার তৈরির ভার পড়ে চন্দ্রকান্তর উপর৷

অ্যান্টেনার কাজটা কী? সংক্ষেপে বুঝতে হলে বলতে হবে, মহাকাশযান থেকে তরঙ্গ যে পথে এসে ইসরোর কন্ট্রোল রুমে পৌঁছাবে, সেই অংশটিই অ্যান্টেনা৷ অর্থাৎ রেডিও তরঙ্গ অ্যান্টেনাবাহিত হয়ে আমাদের কাছে আসছে৷ এটি না থাকলে, যোগাযোগ থাকবে না৷ ফলে মহাকাশযানগুলির গতিবিধি বোঝার জন্য অ্যান্টেনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ৷ যা সবসময়ে তৈরি করেন চন্দ্রকান্ত কুমার৷ আর এভাবেই চাঁদের সঙ্গে চন্দ্রকান্তের নাম জুড়ে গিয়েছে৷ চন্দ্রযান-২ তে মোট ৭টি অ্যান্টেনা আছে৷ অরবিটরের সামনে ২টি, পিছনে ২টি, দু’পাশে ১টি করে অ্যান্টেনা থাকছে৷ আর ১টি অ্যান্টেনা রয়েছে বিকল্প হিসাবে৷ সামনে ও পিছনের ৪টি অ্যান্টেনা আপলিংক এবং ডাউনলিংকের জন্য ব্যবহার করা হবে৷ ল্যান্ডার বিক্রমে রয়েছে ১টি অ্যান্টেনা৷ এই আটটি অ্যান্টেনাই চন্দ্রকান্তর হাতে তৈরি৷ আর এই অ্যান্টেনাই এক সরলরেখায় এঁকে দিয়েছে চাঁদ-চন্দ্রাভিযান-চন্দ্রকান্তকে৷

[আরও পড়ুন: বয়সের ভারে ন্যুব্জ, ভার বহনের কাজে চিরতরে ইতি লছমন ঝুলার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং