সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সারা দেশ এখন চাতক পাখির মতো একটু বৃষ্টির অপেক্ষায়৷ আবহাওয়াবিদরাও কোন আশার বাণী শোনাতে পাচ্ছেন না৷ কবে আসবে সেই বহু-প্রতীক্ষিত শ্রাবণের শীতল বারিধারা৷ আশার বাণী অবশ্য শোনাতে পারে কানপুরের একটি মন্দির৷
এই মন্দির বলে দিতে পারে বৃষ্টিপাতের পরিমান৷ বার্ষিক বৃষ্টিপাতের হার কত হবে তা বলে দিতেও সক্ষম এটি৷ মন্দির আছে কানপুরের ভিতরগাঁও বেহতা জেলার ঘতমপুরে৷ মন্দিরের বিগ্রহ জগন্নাথ দেব৷ মন্দিরটি রেন টেম্পল বা বৃষ্টি মন্দির বলে খ্যাত৷ মন্দিরের শৈলিটিও অভিনব৷ একটি গম্বুজ আকৃতির মন্দিরটি৷ সম্রাট অশোকের আমলে নির্মিত হয় মন্দিরটি৷
কানপুরের মন্দিরটি৷
শতাধিক বছর পুরনো মন্দিরটিতে বংশানুক্রমে পূজো করে আসছে শুক্লা পরিবার৷ এই পরিবারের সদস্য কে পি শুক্লা বর্তমানে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত৷ তিনি বলেন, বর্ষায় কেমন পরিমান বৃষ্টি হবে তা জানতে এলাকার চাষিরা পূজো দিতে হাজির হন৷ মন্দিরের গর্ভগৃহে একটি সিলিংয়ের উপর থেকে ফোঁটা ফোঁটা জল অনবরত পড়ে যায়৷ জলের ফোঁটা দেখে বলে দেওয়া হয় কত পরিমান বৃষ্টি হবে৷ জলের ফোঁটা বড় আকারের হলে ধরা হয় সেই বছর বৃষ্টিপাত ভালই হবে৷ প্রতি বছর সাড়ম্বরে মেলা বসে রথযাত্রা এবং জন্মাষ্টমীর সময়৷ সেই সময় মন্দিরে তিল ধারণেরও জায়গা থাকে না৷
সর্বশেষ খবর
-
আইএসএলের আগে বিরাট চমক, প্রাক্তন মোহনবাগানিকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল
-
‘কেউ যেন আমাকে…’, মধ্যরাতে কলকাতায় ভূতুড়ে কাণ্ড! হাড়হিম অভিজ্ঞতা রণজয়ের
-
ব্যর্থ হলেও মার্কশিটে লেখা থাকবে না ‘ফেল’ শব্দটি, পড়ুয়াদের মনোবল বাড়াতে নয়া ভাবনা বিহার সরকারের
-
বাইকের পিছনে ধাওয়া দুষ্কৃতীদের! ভোটমুখী পাঞ্জাবে আপ নেতাকে গুলি করে ‘খুন’
-
‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’-এর খবরের জের, যাদবপুরে যৌনতার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তদন্ত চাইল কংগ্রেস
