সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হায়দরাবাদের গৌড় পরিবারের দাবি, তাদের ওষুধ খেলে অ্যাজমা-সহ যে কোনও শ্বাসকষ্টজনিত রোগ সেরে যাবে৷ কি সেই ওষুধ?
পরিবারের সদস্যদের দাবি, পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী ১৬০ বছরেরও বেশি পুরনো জড়িবুটি সহকারে বানানো হয় ওই ওষুধ৷ তাঁদের আরও দাবি, এক সাধু গৌড় পরিবারের পূর্বপুরুষকে এই শপথ করিয়ে ওষুধটি দিয়েছিলেন, যে কোনওদিন তা যেন বাণিজ্যিক কারণে বিক্রি না করা হয়৷ হলুদ রঙের মলমের মতো দেখতে ওই ওষুধে কী কী উপাদান ব্যবহৃত হয়-সেটা গোপনই রাখা হয়েছে৷
তবে সত্যি-মিথ্যা যাই হোক, আপাতত হায়দরাবাদ জুড়ে ‘প্রসাদম’ খাওয়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছে৷ তিন ইঞ্চির জ্যান্ত মাছের মধ্যে ওই ওষুধ ঢুকিয়ে রোগীদের গলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে৷ ওই ওষুধ খেলে নাকি জীবনে কোনওদিন হাঁপানির মতো রোগ হওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকবে না৷
ওই ওষুধ নিয়ে অবশ্য বিতর্কের শেষ নেই৷ কয়েক বছর আগে ওই ওষুধে ব্যাপক পরিমাণ ধাতব পদার্থ ব্যবহৃত হয়েছে বলে আদালতের দ্বারস্থ হয় একটি সংগঠন৷ যদিও সরকারি পরীক্ষাগার থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই ওষুধে কোনও ক্ষতিকারক উপাদান নেই৷
গতকাল, বুধবার থেকে ‘প্রসাদম’ শিবিরে বসেছে কড়া পুলিশি প্রহরা৷ পুরুষ ও মহিলাদের জন্য ভিন্ন লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ মোট ৩২টি কাউন্টার খোলা হয়েছে৷ অন্তত ১৫ হাজার মানুষ দৈনিক ‘প্রসাদম’ খাওয়ার জন্য লাইন দিচ্ছেন৷ অন্যান্য রাজ্য থেকেও প্রচুর লোকজন আসছেন৷
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা, সোনারপুর থেকে এনআইয়ের জালে
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’