Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ঔরঙ্গাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষে দায়ের তিনটি অভিযোগ, আটক বহু

ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে গোটা এলাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৪, ১৪:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৪, ১৪:৪০

options
link
ঔরঙ্গাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষে দায়ের তিনটি অভিযোগ, আটক বহু zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোষ্ঠী সংঘর্ষে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে দু’জনের মৃত্যুর পর আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে জানাল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে।

ঔরঙ্গাবাদের স্পেশ্যাল আইজি মিলিন্দ ভারাম্বে জানিয়েছেন, প্লাস্টিক বুলেটের কারণে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ছাদ খসে পড়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জখম হয়েছেন একাধিক পুলিশ অফিসার ও কনস্টেবল। গোটা ঘটনায় প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। স্টেট রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (SRPF) থেকে সাতটি দল ও হিংসা প্রতিরোধকারী পুলিশের দল থেকে একটি দলকে ঘটনাস্থলে আনা হয়। জেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও।

Advertisement

 

[ গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত ঔরঙ্গাবাদে মৃত দুই, এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা ]

শুক্রবার মোতি করাঞ্জা এলাকায় গোষ্ঠী সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে গান্ধীনগর, রাজাবাজার, সাহগঞ্জ ও সারাফা এলাকায়। প্রতিবাদীরা প্রায় ১০০টি দোকান পুড়িয়ে দেয়। আগুন লাগিয়ে দেয় ৮টি গাড়িতেও। পরিস্থিতি এতটাই খারাপের দিকে পৌঁছায়, যে পুলিশকে গুলি ছুঁড়তে বাধ্য হতে হয়। সংঘর্ষের ফলে সেখানে সাতজন মহিলা ও একাধিক পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর। তাদের মধ্যে একজন পুলিশের অ্যাসিট্যান্ট কমিশনার।

[ যুবসমাজকে ভোটমুখী করতে বিনামূল্যে কফি ও দোসা খাওয়ালেন রেস্তরাঁ মালিক ]

গত কয়েকদিন থেকেই মোতি করাঞ্জা এলাকায় জল নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। পরিস্থিতি চরমে ওঠে শুক্রবার রাতে। অবৈধভাবে জল নেওয়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জল পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল ঔরঙ্গাবাদ পুরসভা। সূত্রের খবর, এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়েছিল যে এই জলের লাইন বন্ধের পিছনে রয়েছে অন্য একটি গোষ্ঠীর উস্কানি। এরপরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ। দুই গোষ্ঠীর যুবকরা লাঠি ও পাথর নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.