Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

রাজধানীতে অনাহারে মৃত্যু একই পরিবারের তিন শিশুর, প্রশ্নের মুখে কেজরিওয়াল সরকার

এক সপ্তাহ ধরে জলও পেটে পড়েনি তিন শিশুর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯, ১৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯, ১৮:৪৭

options
link
রাজধানীতে অনাহারে মৃত্যু একই পরিবারের তিন শিশুর, প্রশ্নের মুখে কেজরিওয়াল সরকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজধানীতে অনাহারে মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন শিশুকন্যার। ঘটনাস্থল সংসদ ভবন থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের পূর্ব দিল্লির মাণ্ডাবলী এলাকা। বুধবার দিন আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুদের লালবাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে অপুষ্টির কারণেই মৃত্যু হয়েছে তিন শিশুকন্যার। গত সাতদিন ধরে খাবার দূরের কথা জলও পড়েনি তাদের পেটে। রাজধানীর বুকে থাকা প্রান্তিক মানুষ যদি অনাহারে প্রাণ হারান তাহলে দেশের অন্যপ্রান্তের দরিদ্র মানুষদের পরিস্থিতি কতটা বেহাল। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

[রামায়ণ এক্সপ্রেসের পর সুফি ও বুদ্ধিস্ট সার্কিট ভ্রমণে বিশেষ ব্যবস্থা রেলের]

এদিকে দিল্লির বুকে অনাহারে মৃত্যুর খবরে নড়েচড়ে বসেছে কেজরিওয়াল সরকার। ঘটনার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে,  মৃত শিশুরা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তাদের বাবা মঙ্গলের বাড়ি মেদিনীপুরে। বছর ১৫ আগে দিল্লিতে চলে যান মঙ্গল। সেখানেই রিকশ চালিয়েই রোজগার শুরু করেন। ১০ বছর আগে বীণা নামের এক তরুণীকে বিয়েও করেন। যদিও বেশ কিছুদিন থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছেন ওই গৃহবধূ। মাণ্ডাবলী এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন তাঁরা। তাঁদের তিন মেয়ে মানসী (৮), পারুল (৪), ও শিখা (২)। কয়েকদিন আগে মঙ্গলের রিকশটি কেউ কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ। বাড়িওয়ালার রিকশই চালাতেন তিনি। সেই রিকশ চলে যাওয়ায় তাঁদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর বন্ধুর বাড়িতে এসে ওঠেন মঙ্গল। সেখানে এক সপ্তাহ ধরে তাদের হাঁড়ি চড়েনি। খাওয়াও জোটেনি পরিবারটির। বুধবার মঙ্গল কাজের সন্ধানে বেরিয়ে গেলে বাচ্চারা বমি করতে শুরু করে। তারপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানা যায়, তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে। মানসিক ভারসাম্যহীন মা বুঝতেই পারেননি যে বাচ্চারা অসুস্থ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে এটা স্পষ্ট যে এক সপ্তাহ ধরে বাচ্চাদের কিছুই খেতেই দেননি বীণাদেবী।

Advertisement

[মানুষের মতো গুরুত্বপূর্ণ গরুরাও, যোগী আদিত্যনাথের মন্তব্যে বিতর্ক]

দিল্লির মতো জায়গায় থেকে একটা পরিবার কী করে অনাহারে থাকে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দিল্লির কেজরি সরকারকে একহাত নিয়েছেন বিরোধী নেতারা। আপ সরকারের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে দিল্লির বিজেপি সভাপতি মনোজ তিওয়ারি বলেছেন, ‘‘গণবণ্টন ব্যবস্থার যে কী হাল, সে তো দেখাই যাচ্ছে!’’ এহেন মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। পালটা বক্তব্য আপের। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি। তিনি বলেন, ‘যেখানে সব থেকে বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা সেই দিল্লিতেই অনাহারে মৃত্যু কলঙ্কের ঘটনা। এই দিল্লি নিয়েই নেতারা আবার বড় বড় কথা বলেন।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.