৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের আগে শাসকদলে ভাঙন ধরানোর যে ধারা শুরু করেছিলেন মুকুল রায়৷ নির্বাচন মিটতে তার গতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ইতিমধ্যে তৃণমূলে সাত দফা ভাঙন ধরানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিলেন তিনি৷ যার প্রথম পর্ব আগেই দেখা হয়ে গিয়েছে রাজ্যবাসীর৷ সোমবারই কি হতে চলেছে দ্বিতীয় পর্ব? আবারও কি তৃণমূলে ভাঙন ধরাতে চলেছেন মুকুল রায়? নোয়াপাড়া বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং এবং গাড়ুলিয়া পুরসভার বেশ জন তৃণমূল কাউন্সিলর দিল্লি পৌঁছনোয়, এখন এই জল্পনাই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজধানীর বুকে৷

[ আরও পড়ুন: বকেয়া মেটাচ্ছে না উত্তরপ্রদেশ সরকার, অভিযোগ গোরক্ষপুরের ডাক্তার কাফিল খানের]

সূত্রের খবর, ওইদিন আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভগ্নিপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং৷ যিনি আবার গাড়ুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান পদেও রয়েছেন৷ তাঁর সঙ্গেই গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন ওই পুরসভার ১২ জন কাউন্সিলর৷ এবং আরও দু’জন বিধায়ক৷ এই যোগদানের ফলে গাড়ুলিয়া পুরসভার চিত্রটাও পালটে যাবে৷ ২১ আসন বিশিষ্ট পুরসভার ১২ কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দিলে, গাড়ুলিয়া পুরসভাও বিজেপির দখলে চলে যাবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের৷ এই খবর চাউর হতেই তৎপরতা বেড়েছে রাজধানীতে৷ জানা গিয়েছে, রবিবারই এরা সকলে পৌঁছে গিয়েছে দিল্লিতে৷ সম্ভবত সোমবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে এরা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাবেন৷ হাতে তুলে নেবেন বিজেপির পতাকা৷ যোগদানের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংও৷ 

[ আরও পড়ুন: সিঙ্গল মাদারের সন্তান, স্কুলে ভরতি নিতে প্রিন্সিপালের আপত্তি ঘিরে তুমুল বিতর্ক ]

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাঁচড়াপাড়ায় যে জনসভা করেছিলেন, তার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন সুনীল সিং৷ এছাড়া নৈহাটিতে মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা কর্মসূচিতেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে৷ দলের তরফে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের আহ্বায়ক করা হয় তাঁকে৷ লোকসভা নির্বাচনের আগে অর্জুন সিংয়ের প্রস্থানের পর দলের মধ্যে যথেষ্ট গুরুত্ব বাড়ানো হয় নোয়াপাড়ার বিধায়কের৷ এমনকী, তিনি নিজেও দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছিলেন৷ জানিয়েছিলেন, তিনি তৃণমূলেই রয়েছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন৷ কিন্তু এতকিছুর পরেও সুনীলের দিল্লি যাত্রা নিঃসন্দেহে, উত্তেজনা বাড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং